মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) এর মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন (বিপিএম-পিপিএম) বলেছেন, মেজর (অবঃ) সিনহা হত্যাকাণ্ড নিয়ে দুই বাহিনীর মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝি নেই। পারস্পরিক সমন্বয় রয়েছে। পেশাদারীত্বের সাথে মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যা মামলা তদন্ত করছে র‌্যাব।

সোমবার ১৮ আগস্ট বিকেলে টেকনাফের শামলাপুর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যাকান্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে র‍্যাব মহাপরিচালক এ কথা বলেন।

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন আরো বলেন, তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বেশি কিছু বলছি না। আমরা এ ঘটনায় বিভিন্ন তথ্য পাচ্ছি। এসব তথ্য একটার সঙ্গে আরেকটা মেলাচ্ছি। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আমরা ফলাফল জানাতে পারবো। তদন্ত ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে ইনশাআল্লাহ। তদন্তের গতিও সন্তোষজনক।

এ সময় র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে: কর্ণেল আশিক বিল্লাহ সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন হেলিকপ্টার যোগে সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টেকনাফ উপজেলার শামলাপুর পুলিশ চেকপোস্টে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহাকে গুলি করার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শন শেষে তিনি হেলিকপ্টার যোগে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন এর আগমন উপলক্ষে সেখানে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন-সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এতে ৯ জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন-টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া,পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান,কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন,মো. মোস্তফা ও এসআই টুটুল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •