বিগত কিছুদিন যাবত একজন রাজনীতিবিদ সময় ও সুযোগকে ব্যবহার করে নিজের রাস্তা পরিষ্কার করার স্বার্থে অন্যজনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, অপবাদ করে বেড়াচ্ছেন। অথচ নিরুপায়, কারন তিনি বর্তমান সময়কে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে অভিনয়ও ভাল করতে পারেন আর আমরা পারিনা। আমি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ,টেকনাফ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের স্থায়ী দাতা সদস্য। পিতাঃ আবু ছৈয়দ (চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত -টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদ)। গ্রামঃ গোদার বিল, ০৬ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদ।

আসল কথা হচ্ছে, বিগত কিছুদিন যাবত টেকনাফ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, টেকনাফ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব নুরুল বশর, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম,অনলাইন নিউজ চ্যানেল সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের অপকর্ম বিষয়ক বিভিন্ন নিউজে পরিকল্পিতভাবে আমাকে ও আমার বাবাকে জড়িয়ে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। তার আসল কারন হলো, তিনি আমাদেরকে যতদিন পর্যন্ত নিজের স্বার্থে ব্যবহার করতে পেরেছেন ততদিন আমরা তার কাছে ভাল ছিলাম। কিন্তু যখন বিগত টেকনাফ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে আমি প্রার্থী হই তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তখন থেকেই আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভাবে ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছেন। যখন যেকোনো জায়গায় সুযোগ পেলেই ওনি আমাদেরকে ষড়যন্ত্র মূলক বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িয়ে আমাদের পরিবারকে দুর্বল করার চেষ্টায় আছেন। বিগত টেকনাফ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে যেহেতু তিনি একজন বর্তমান সরকারি দলের উপজেলা পর্যায়ের নেতা এবং শিক্ষিত ব্যক্তি হিসেবে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে জনাব নুরুল বশরকে সভাপতি মনোনিত করি যাতে বিদ্যালয়ের উন্নয়নের কাজ করতে পারেন। কিন্তু উন্নয়নের পরিবর্তে নিজের স্বার্থে প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করেছে তা সকলের কাছে জানা আছে।

সভাপতি হওয়ার পর পরই তিনি সৌদিআরব উমরা-হজ্জ্ব পালন করার জন্য যাওয়ার সময় তিনি আমার কাছথেকে ৫০ হাজার টাকা ধার হিসেবে নেয় বিদেশ থেকে ফেরত আসলেই দিয়ে দিবেন বলে। কিন্তু বিদেশ থেকে উমরা-হজ্জ্ব পালন শেষে ফেরত এসে আমার টাকার নাম ও নিশান ভুলে গেছেন। আত্মসম্মানের কথা চিন্তা চক্ষু-লজ্জায় অনেক দিন যাবত টাকার কথা বলিনাই অথচ সৌদিআরব উমরা-হজ্জ্ব পালনের টাকা অবশ্যই ফেরত দিয়ে দিবন বলে আমি অপেক্ষা করি। দীর্ঘদিনের পর যখন আমার জরুরি টাকার প্রয়োজন হয়েছিল আমার টাকাগুলো চেয়েছি তখন থেকেই হঠাৎ তাহার আচার-আচরণ পরিবর্তন হয়ে যায়। আমার টাকা গুলো ফেরত না দিয়ে ওল্টো আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা শুরু করেন। বিদ্যালয়ের পরবর্তি পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনেক ষড়যন্ত্র করেছিল নির্বাচন ছাড়া আবারও সভাপতি যাতে হয়ে যান। কিন্তু আমি একজন বিদ্যালয়ের স্থায়ী দাতা সদস্য হিসেবে দাতা সদস্য পদে প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করলে আমার বিরুদ্ধে সরাসরি,যখন তখন মিথ্যা,বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক অপবাদ শুরু করে দেন। আমার ৫০ হাজার টাকাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এবং ওনার সাথে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কারনে আমাকে বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িয়ে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছেন আর নিজের গায়ে সততার রঙ লাগিয়ে যাচ্ছেন।

এছাড়া আমার বাবা একজন প্রতিষ্ঠিত গরু ব্যবসায়ী সকলেই জানেন। গতবছর কোরবানির সময় আমার পিতা জনাব আবু ছৈয়দ থেকে জনাব নুরুল বশর সাহেব কোরবানির জন্য এক লক্ষ টাকা দামের একটি গরু নিয়ে যান টাকা দেবেন বলে। কোরবানির জন্য নেওয়া গরুর টাকা এখনো পর্যন্ত দেওয়ার কোনো সাড়া শব্দও নাই। এই বছর কোরবানের সময়ও গরু বাজারে আমার পিতা আবু ছৈয়দ থেকে বাকিতে একটি গরু নিতে চাইলে আব্বা গত বছরের কোরবানির গরুর ১ লক্ষ টাকা এখন পর্যন্ত দেওয়ার কোনো নাম নাই আবারও বাকিতে গরু দিতে পারবনা বলে যখন ফেরত দেন তখন থেকেই আব্বার বিরোদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। শুধুমাত্র নিজের স্বার্থের জন্য আমাদের পরিবারের বিরোদ্ধে অপপ্রচার করেই যাচ্ছেন জনাব নুরুল বশর সাহেব নিজের পদপদবীর ক্ষমতাকে ব্যবহার করে।
মূলকথা জনাব নুরুল বশর আমার থেকে সৌদিআরব হজ্জ্ব পালন করতে যাওয়ার সময় ধার নেওয়া ৫০ হাজার টাকা ও টেকনাফ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ার কারনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ষড়যন্ত্র ও আমার পিতা জনাব আবু ছৈয়দ থেকে কোরবানির জন্য নেওয়া গরুর টাকা চাওয়া ও  আবারও বাকির নামে গরু না দেওয়ায় উদ্দেশ্যমূলক ভাবে ষড়যন্ত্রমূলক বিভিন্ন অপকর্ম,অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িয়ে মানহানিকর সংবাদ প্রচার করে যাচ্ছেন সরকারি দলের পদপদবীর ক্ষমতাকে ব্যবহার করে।

টেকনাফ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব নুরুল বশর কর্তৃক আমি ও আমার পিতার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রনোদিত ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি পাশাপাশি আমার কাছথেকে ধার নেওয়া ৫০ হাজার টাকা ও আমার বাবা থেকে কোরবানির জন্য নেওয়া গরুর মূল্যবাবত ১ লক্ষ টাকা দিয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

মোহাম্মদ আবদুল্লাহ
পিতাঃ আবু ছৈয়দ (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান)
গ্রামঃ- গোদার বিল, ০৬ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদ।
স্থায়ী দাতা সদস্য – টেকনাফ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •