জাহাঙ্গীর আলম শামস:
সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতায় শহর জুড়ে ব্যাপক যানজট। শহরের প্রতিটি সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। যানজটের কবলে কর্মস্থলে যাওয়া মানুষ ও সাধারণ যাত্রীরা পড়েছেন বিপাকে।
অতিবৃষ্টিতে রাস্তায় পানি জমে যাওয়ায় কক্সবাজার শহরের বাজার ঘাটা থেকে মহাসড়কের লিংকরোড পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার  থেমে থেমে চলছে যানবাহন। আজ রবিবার বেলা ১১টা থেকে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়। এতে  ঘরে ফেরা মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। সড়কের ওপর জমে থাকা পানি ঘরমুখো যাত্রী, স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ সব পেশাজীবীর দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, কক্সবাজার সদর উপজেলা গেইট হতে পাওয়ার হাউজ পর্যন্ত বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। সড়কের পাশের বাজার ,মার্কেট,সিঙ্গার শোরুম ও মসজিদ মার্কেটের সামনে পানি জমে আছে। পানির মধ্যে সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনা টমটম ও রিকশা রাখা ডুবে গেছে ।বৃষ্টির পানির সঙ্গে ড্রেনের নোংরা জমে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। পানি ও দুর্গন্ধের মধ্যে কষ্ট করে চলতে হচ্ছে পথচারীদের।স্থানীয়রা জানান, আগামী ১৭ আগষ্ট থেকে পুরোদমে পর্যটন স্প্ট খোলে দেওয়াতে পর্যটক আসা শুরু করায় গাড়ীর সংখ্যাও বেড়েগেছে। কিন্তু সকালে বৃষ্টিপাত, রাস্তায় গাড়ি ও যাত্রীর চাপ থাকায় ঘরমুখো এসব স্থানীয় দুর্ভোগে পড়েছেন।আবু বক্কর নামে একজন পথচারী বলেন, ‘মহাসড়কের পাশ দিয়ে তৈরি করা পানি প্রবাহের ড্রেন সরু হওয়ায় দ্রুত পানি প্রবাহিত হচ্ছে না। ফলে রাস্তায় পানি জমে থাকছে এবং যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। বাসটার্মিনাল-বাইপাস মোড়ে পানি জমে থাকায় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।
স্থানীয়  ব্যবসায়ী জহির উদ্দীন জানান, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চট্টগ্রাম -কক্সবাজার মহাসড়কে থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করায় যাত্রীদের যেমন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, তেমনি ফুটপাতের পথচারী ও ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন বিপাকে।

রাস্তায় চলাচলকারী রহিম উদ্দীন সিকদার বলেন, ‘অল্প বৃষ্টিতে মহাসড়কের পাশে পানি জমে যাওয়ায় অনেক সময় আশপাশের দোকানে পানি উঠে যায়। ১০ মিনিট বৃষ্টি হলে জমে থাকা পানি সরতে লাগে ৪-৫ ঘণ্টা। ক্রেতারা মার্কেটে আসতে পারেন না। এতে বেচাকেনায় প্রভাব পড়ে।’

ফুটপাতের ব্যবসায়ী আনু মিয়া বলেন, ‌‌‌একটু বৃষ্টি হলে  গাড়ী চলাচল করতে পারেনা।   মহাসড়কের পাশে পানি জমে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবে এটা সাময়িক। পানি সরে গেলে যানজট থাকে না। সচেতন মহলের এই যানযট থেকে বাঁচতে কক্সবাজার সড়ক ও জনপদকে দ্রত রাস্তা মেরামতের জোর দাবী জানিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •