cbn  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের সেনাবাহিনী ও কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ (সিআরএফ) যৌথ অভিযান চালিয়ে কাশ্মীরের  লস্কর-ই-তাইয়েবা (এলইটি) এর দু’টি গোপন সামরিক আস্তানা ধ্বংস করে দিয়েছে এবং বিপুল পরিমান গোলা-বারুদ উদ্ধার করেছে।

উত্তর কাশ্মীরে পুলওয়ামা জেলার বারসো এলাকায় গতকাল এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে সেখানকার পুলিশ সুপারের উদ্ধৃতি দিয়ে আজ গ্রেটার কাশ্মীর পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে এ খবর দেয়া হয়েছে।

১৫ আগষ্ট ভারতের স্বাধীনত দিবসে সর্বাত্মক বনদ পালনের ডাক দিয়েছে কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী মুসলমানদের সংগঠন সর্বদলীয় হুররিয়াত কনফারেন্স। এ বন্দের সমর্থনে কাশ্মীরের দেয়ালে দেয়ালে পোষ্টার লাগানো হয়েছে।

এ অবস্থায় কাশ্মীরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত সংখ্যক সেনা ও পুলিশ নেমেছে রাস্তায়।কাশ্মীরে কঠোর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রন মধ্যে চলছে করোনা জনিত লকডাউন। এর মাঝে প্রতিদিনই কোন না কোন এলাকা ঘেরাও করে তল্লাসী অভিযান চালাচ্ছে যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী। এরকম শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার মাঝেও স্বাধীনতাকামী যুবকেরা লড়াই চলমান রেখেছে, প্রান বিসর্জন দিচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এলইটি যোদ্ধাদের অবস্থানের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে পুলওয়ামা জেলার বারসো এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ও সিআরএফ এর সদস্যরা।

এ অভিযানে এলইটি’র দুটি গেপন সামরিক ঘাঁটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে তল্লাসী চালিয়ে সেখান থেকে স্বয়ংক্রিয় রাইফেলের প্রায় দু’হাজার রাউন্ড গুলি , দূরে নিক্ষেপনযোগ্য গ্রেনেড ও নিক্ষেপন যন্ত্র, হ্যান্ড গ্রেনেড, দেশীয় পাইপ বোমাসহ বিপুল পরিমান বিষ্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় অবন্তিপুরা থানায় অস্ত্র ও বিষ্ফোরক আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।

চিকিৎসাধিন একজনের মৃত্যু

ওদিকে গত ৬ আগষ্ট কুপওয়ারা জেলায় ভারত-পাকিস্থান নিয়ন্ত্রন রেখা বরাবর গোলাগুলিতে আহত মুহাম্মদ ইয়াকুব মীর (৬৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার মারা গেছে।

ভারতীয় কর্তপক্ষ দাবী করেছে, গত ৬ আগষ্ট পাকিস্থান অস্ত্রবিরত চুক্তি লংঘন করে নিয়ন্ত্রন রেখার ওপার থেকে শেল নিক্ষেপ করার ফলে একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন এবং একজন মহিলা সহ পাঁচজন আহত হন। আহতদের একজন ইয়াকুব মীর মাথায় গুরুতর জখম নিয়ে গতকাল মারা গেছে।

(সকাল ৯টা : আগষ্ট ১৪)

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •