মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যা মামলার জেলে থাকা ৪ আসামীর ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জামিল আহমদ। আগামী বুধবার ১২আগাস্ট রিমান্ড আবেদন শুনানির জন্য দিন ধার্য্য করেছেন টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (আদালত নম্বর-৩) এর বিজ্ঞ বিচারক। বিষয়টি কক্সবাজারের কোর্ট ইন্সপেক্টর প্রদীপ কুমার দাশ (পিপিএম) নিশ্চিত করেছেন।

যাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে, তারা হলো, পুলিশের বহিস্কৃত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া।

এ ৪ জন আসামীকে কক্সবাজার জেলা কারাগার ফটকে গত ৮ ও ৯ আগস্ট পর পর ২দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যাকান্ড নিয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়ায় তাদেরকে ১০দিনের রিমান্ড চাওয়া হয় বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ আগস্ট আদালত থেকে রিমান্ডের আদেশ পাওয়া এই মামলার অপর ৩ আসামী যথাক্রমে বরখাস্ত হওয়া টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহারকৃত ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী (বরখাস্ত) ও এসআই নন্দলাল রক্ষিত (বরখাস্ত)কে রিমান্ডের জন্য এখনো তদন্তকারী কর্মকর্তার হেফাজতে নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন, কক্সবাজার জেলা কারাগারের সুপার মোহাম্মদ মোকাম্মেল হোসেন।

গত ৩১ জুলাই খুন হওয়া মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খানের বড়বোন ও মোঃ শামসুজ্জামানের সহধর্মিণী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস (৪২) বাদী হয়ে চাকুরী থেকে বরখাস্ত হওয়া প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলী, নন্দলাল রক্ষিত, সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া সহ ৯জনকে আসামী করে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ৫ আগস্ট সকালে এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। যার টেকনাফ থানার মামলা নম্বর : ৯/২০২০, সিআর মামলা নম্বর : ৯৮/২০২০ ইংরেজি (টেকনাফ)।