বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা ও দৈনিক কক্সবাজার ৭১ এ ৫ অাগস্ট প্রকাশিত ‘ইয়াবা তদবিরে সাড়া না দেওয়ায় দৈনিক কক্সবাজার ৭১ পত্রিকা অফিসে হামলা ও ভাংচুর এবং ‘ইয়াবা গডফাদার ফরিদুল হক নান্নুর অপতৎপরতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক সংবাদটি অামার দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদ দুটিতে যা লেখা হয়েছে তার কোন সত্যতা নেই। পুরোপুরি অাজগুবী, কাল্পনিক ও মনগড়া।
প্রকৃত সত্য ঘটনা হচ্ছে ৭১ পত্রিকার বেলাল তার গ্রামের বাড়ি চৌফলদন্ডীর জন্য টাইলস নেন। এতে ৭০ হাজার বকেয়া টাকার সুপারিশদাতা ছিলেন নান্নু। তাঁর জিম্মায় বেলালকে বাকি টাকায় টাইলস দেয়া হয়। এই টাকা দিতে বেলাল দীর্ঘদিন ধরে গড়িমসি করলে টাইলস দোকান মালিক নান্নুকে চাপ সৃষ্টি করে। এতে নান্নুকে অতিষ্ঠ হয়ে বেলালকে বকেয়া টাকা দিয়ে দেয়ার জন্য বারবার তাগাদা দিলে বেলাল অাজ দেবে, কাল দেবে এভাবে কালক্ষেপণ করছিল। শেষমেশ বেলাল টাকা দেয়ার কথা বলে পত্রিকা অফিসে ডেকে এনে সটকে পড়ে ওলটপালট কথা শুরু করলে নান্নু উত্তেজিত হয়ে পত্রিকার অফিসে গ্লাস ও টিভি ভাংচুর করে। এই হচ্ছে ঘটনার বিস্তারিত।
এদিকে সামান্য ভাংচুরের এই ঘটনাকে কাহিনি সাজিয়ে বেলাল তিলকে তাল বানাতে শুরু করেন। প্রকৃত ঘটনা তুলে না ধরে অহেতুক প্রাপ্ত টাকা না দিয়ে নান্নু ছিনতাই, ইয়াবা সম্পৃক্ততা ও নানা অপরাধি বানিয়ে বিভিন্ন অনলাইন, ফেসবুক ও পত্রিকায় নিউজ করেন। অত্যন্ত খারাপ মনোভাবের এই বেলাল জঘন্য মিথ্যাচার এবং লোভী মানুষ। তাঁর কাহিনি লিখে এবং বলে কেউ শেষ করতে পারবে না।
কথা হচ্ছে যা লেখা হয়েছে সব অতি মিথ্যা, গল্পগুজব ও কাহিনিনির্ভর। নান্নু প্রকৃত পক্ষে একজন মানবিক মানুষ, ব্যবসায়ি। কারো সাথে কোন বিরোধ বা ঝামেলা নেই। অহেতুক তাঁকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো তাঁকে ফাঁসানো মোটেও কাম্য নই। যার প্রকৃত বিচার অাল্লাহ করবেন।
প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদে অামি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও ওসিসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

প্রতিবাদকারি

নান্নুর সহধর্মিণী

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •