মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৪ আগস্ট পর্যন্ত ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারমধ্যে, ৫৯ জন স্থানীয় নাগরিক ও ৬ জন রোহিঙ্গা শরনার্থী। আক্রান্তের তলনায় মৃত্যুর হার ১’৮৯% ভাগ। কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন অফিসের ডা. সাকিয়া হক এর দেওয়া পরিসংখ্যান মতে, ৪ আগস্ট পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে মোট ৩৪৪৬ জন। তারমধ্যে, স্থানীয় নাগরিক ৩৩৭১ জন এবং রোহিঙ্গা শরনার্থী ৭৫ জন। আবার রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মধ্যে উখিয়া উপজেলায় ৬৫ জন ও টেকনাফ উপজেলায় ১০ জন। পুরাতন করোনা রোগীর ফলোআপ টেস্টে ৪ আগস্ট পর্যন্ত মোট ১৯৯ জনের রিপোর্টও ‘পজেটিভ’ এসেছে। তারমধ্যে, পুরাতন আক্রান্ত ৬ জন রোহিঙ্গা শরনার্থীর ফলোআপ টেস্ট রিপোর্ট পজেটিভ পাওয়া যায়।

৪ আগস্ট পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ১৬৩২ জন রোগী নিয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা শীর্ষে অবস্থান করছে। ৩৭৪ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী নিয়ে চকরিয়া উপজেলা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ৩৬১ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী নিয়ে উখিয়া উপজেলা তৃতীয় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ২৯৮ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী নিয়ে রামু উপজেলা চতুর্থ অবস্থানে, ২৮৭ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী নিয়ে টেকনাফ উপজেলা পঞ্চম অবস্থানে, ১৯১ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী নিয়ে মহেশখালী উপজেলা ষষ্ঠ অবস্থানে, ১৪২ জন করোনা রোগী নিয়ে পেকুয়া উপজেলা সপ্তম অবস্থানে এবং কুতুবদিয়া উপজেলা ৮৬ জন করোনা রোগী নিয়ে ৮টি উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্মে অবস্থান করছে। তবে মাত্র প্রায় দেড় লক্ষ জনসংখ্যা অনুপাতে কুতুবদিয়া উপজেলায় করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা একেবারে কমও নয়। কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিসের ডা. সাঈকা হক প্রণীত ম্যাপিং থেকে এ তথ্য জানা যায়।

৪ আগস্ট পর্যন্ত কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে করোনা ভাইরাস এর নমুনা টেস্ট করা হয়েছে মোট ২৭৩৯৯ জনের। তারমধ্যে-স্থানীয় নাগরিকের নমুনা ২০৩১৫ জনের, রোহিঙ্গা শরনার্থীর নমুনা ২৩৪৮ জনের, বান্দরবান জেলার নাগরিকের নমুনা ৩৬৭৩ জনের এবং চট্টগ্রাম জেলার নাগরিকের নমুনা ১০৬৩ জনের। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সাকিয়া হক এ তথ্য জানিয়েছেন।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৪ আগস্ট পর্যন্ত ২৭৪৩ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৬৯’৬০% ভাগ। একইসময়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৫০১ জন হোম আইসোলেশনে এবং ১১২ জন প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •