গত ২৯ জুলাই বুধবার টেকনাফ ভয়েস নামে একটি অনলাইন ভিত্তিক পত্রিকায় ‘শাহ পরীর দ্বীপে এক কৃষকের ধান কেটে ধ্বংস করল প্রতিপক্ষরা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন মোহাম্মদ মোদ্দাসির, মৌলানা কমরুল, মোহাম্মদ সিদ্দিক ও মোহাম্মদ উসমান।

তারা প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করেন, প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে ‘সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ মৌজার আরএস ১৬৬নং খতিয়ান হইতে ৪১১ দলিল মূলে ২০ শতক জমিতে শাহপরীর দ্বীপের হাজি পাড়ার বাসিন্দা মৌলানা সব্বির আহমদের ছেলে চাষী মো. নোমান দীর্ঘদিন যাবৎ চাষী কাজ করে আসছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই সাথে উল্লেখ করা হয়েছে উক্ত জমিতে কৃষকের ধান জোরপূর্বক কেটে ধ্বংস করে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা, যাহা সঠিক নয়।সত্য ঘটনা হচ্ছে, দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত জমিতে আমরা চাষ করে আসছি।যা এলাকাবাসী সহ সবাই জানে।প্রতিপক্ষের সাথে অন্য কিছু জমি সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে শাহ পরীর দ্বীপ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক দীপক বিশ্বাসের কাছে বিচার প্রক্রিয়াধীন আছে।এরই প্রেক্ষিতে প্রতিপক্ষরা উক্ত জমিতে জোর পূর্বক রাতের আঁধারে গোপনে ধানের চারা রোপন করে।যে জমির সঠিক পরিমাণ হচ্ছে ২৩ শতক।আরএস ও বিএস খতিয়ান মূলে উক্ত জমির মালিক মুদ্দাসির।এই বিষয়ে শাহ পরীর দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ করলে চারা রোপনে প্রতিপক্ষকে নিষেধাজ্ঞা দেয় উপ-পরিদর্শক দীপক বিশ্বাস।পরে কে বা কারা চারা গাছ কেটে ফেলছে তা আমরা অবগত নই।যা জমি দখলের জন্য প্রতিপক্ষের একটি নীল নকশা ও হীন ষড়যন্ত্র।

তাই আমরা উক্ত প্রকাশিত সংবাদটির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।এছাড়া যে জমি নিয়ে বিচারাধীন রয়েছে তাও প্রতিপক্ষের জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা।ভূয়া দলিল ও একটি ভূয়া আরএস খতিয়ানের নামে তারা জমি দখলের চেষ্টা করছে।উক্ত জমির বি এস খতিয়ান নং- ৬৮৬, দাগ নং-৬৫৮১,৬৫৪১,
৬৫৭৪,৬৫৭৫,৬৫৬২ এবং দলিল নং – ৮৯, ৯০।জমির আরএস খতিয়ান নং- ১৬৬,১৫৭,১৮৫।সম্পূর্ণ জমির মোট পরিমান হচ্ছে ৭৪ শতক।উভয় খতিয়ান মূলে উক্ত জমির প্রকৃত মালিক মৌলভী মৌদ্দাসীর।

প্রতিবাদকারী
মোহাম্মদ মোদ্দাসির
মৌলানা কমরুল
মোহাম্মদ সিদ্দিক
মোহাম্মদ উসমান

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •