মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে পশু কুরবানিসহ ঈদ-উল-আযহার সকল ধর্মীয় বিধান পালনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের জন্য আহবান জানিয়ে, ধর্মীয় ভাব গার্ম্ভিয্যের মধ্য দিয়ে জেলায় পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হচ্ছে।

কক্সবাজার ঈদুল আযাহার নামাজের প্রধান জামাতে খুতবা দিতে গিয়ে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মাহমুদুল হক বলেছেন, ঈদুল আযাহার মাহন শিক্ষা হচ্ছে, সর্বোচ্চ ত্যাগ। হজরত ইব্রাহিম (আ:) তাঁর সন্তান হজরত ইসমাইল (আ:) কে কুরবানি দিতে গিতে যে ত্যাগ ও আদর্শের মহান নিদর্শন স্থাপন করেছেন, সেই ত্যাগের মহিমায় পরিশুদ্ধ হয়ে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে আরো সমৃদ্ধ ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

করোনা ভাইরাস সংক্রামণ প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশিত স্বাস্থবিধি মেনে চলাও ইসলামী অনুশাসনের মধ্যে পড়ে উল্লেখ করে মাওলানা মাহমুদুল হক জীবনযাত্রার সর্বক্ষেত্রে সামাজিক ও শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে চলতে তিনি আহবান জানান।

কেন্দ্রীয় ঈদগাহ জামে মসজিদে সকাল শনিবার ১ আগস্ট ৮ টায় কক্সবাজার শহরের ঈদুল আযাহার এই প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদুল আযাহার জামাত হওয়ার এর আগে কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল, জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন ও আওয়ামীলীগের কক্সবাজার জেলা সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা প্রমুখ শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। মাওলানা মাহমুদুল হক ঈদুল আযাহার গুরুত্ব, তাৎপর্য এবং স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ইসলামের বিধি বিধানের বিষয়ে খুতবা ও জামাত পূর্ববর্তী আলোচনা করেন। নামাজ ও খুতবা শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি সমৃদ্ধি এবং বিশ্বব্যাপী চলমান করোনাভাইরাস মহামারী থেকে পরিত্রাণের আশায় মহান আল্লাহ তায়ালার রহমত করে মোনাজাত করা হয়।

প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাস সংক্রামণ প্রতিরোধে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান সহ জেলার কোথাও খোলা মাঠে ঈদুল আযাহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়নি।

ছবি : বলরাম দাশ অনুপম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •