মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার ৪ নম্বর আদালত (সদর আদালত) ভবনের চাদের উত্তরাংশ ভেঙ্গে পড়েছে। সদর আদালত এজলাসের এই অংশে আদালত চলাকালীন আইনজীবীরা বসে থাকেন। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে এখন ভার্চুয়াল কোর্ট চলায় চাদ ভেঙ্গে পড়ার সময় সেখানে কোন আইনজীবী না থাকায় কেন হতাহত হয়নি। মঙ্গলবার ২৮ জুলাই বেলা ১ টার দিকে ছাদ ভেঙ্গে পড়ার এ ঘটনা ঘটে। ছাদ ভেঙ্গে পড়ার সময় জরাজীর্ণ ভবনটির দক্ষিনাংশে কর্মরত আদালতের স্টাফেরা ছুটাছুটি করে বের হয়ে যায়। ভার্চুয়াল কোর্ট না হয়ে স্বাভাবিক কোর্ট হলে ছাদ ভেঙ্গে আইনজীবীরা হতাহত হতেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

কক্সবাজার গণপূর্ত বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ছাদ ভেঙ্গে পড়া ভবনটি অনেক আগেই ‘ব্যবহার অযোগ্য ভবন’ হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে। তারপরও কেন ব্যবহার অযোগ্য, পরিত্যক্ত ভবনটিতে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, তা শুনে গণপূর্ত বিভাগের না প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রকৌশলী বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেন, জায়গার অভাবে গত ৭ ধরে আধুনিক চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন নির্মাণ করা যায়নি। গত দেড় বছর আগে শহরের হিলডাউন সার্কিট হাউসের খোলা জায়গায় ১১ তলা বিশিষ্ট আধুনিক চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়। সুত্রটি জানিয়েছে, চলতি অর্থ বছরে অর্থ বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হতে পারে। তবে আধুনিক চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন নির্মাণ কাজ এ বছর শুরু হলেও তা শেষ হতে ২০২৩ সাল পর্যন্ত লাগবে বলে সুত্রটি জানিয়েছ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •