cbn  
জাহাঙ্গীর আলম শামস :
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে কক্সবাজারে ব্যস্ততা বেড়েছে কামারপাড়া গুলোতে। হাতুড়ি পেটানো এমন টুংটাং শব্দে এখন মুখর কামাড়শালাগুলো।লো হা পুড়িয়ে লাল করে পিটিয়ে দিনরাত ধারালো দা, বটি, ছুরি, চাপাতি তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা।তবে ঈদের সময় ঘুনিয়ে এলেও মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে তেমন বেচাকেনা না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন তারা।এছাড়াও পুরানো অস্ত্রগুলোতেও চলছে শান দেওয়ার কাজ।

রবিবার পৌরসভার বড় বাজারে চাউল বাজার সড়ক , সদর উপজেলা বিভিন্ন বাজারে কামারের দোকানে গুলে ঘুরে ঘুরে দেখা যায়, কারিগরদের সারা শরীরে ঘাম। লোহা পুড়িয়ে লাল করে ইচ্ছেমত পিটিয়ে ধারালো অস্ত্র তৈরিতে ব্যস্ত তারা। কোনো দিকে তাকানোর তো দূরের কথা, খাওয়ার ফুরসতও নেই তাদের। এছাড়াও কোরবানির ঈদে কাজের চাপ বেশি হওয়ায় অনেক মৌসুমি কামারও অস্থায়ী দোকান বসিয়ে দা-ছুরি শান দেওয়ার কাজে করছে।

কর্মকাররা জানান, বটি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। আকৃতি ও লোহা ভেদে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে দা, ছুরি প্রতিটি ৫০ থেকে ৩০০ টাকা। হাড় কোপানোর চাপাতি (স্প্রিংয়ের) কেজি প্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়, আর সাধারণ লোহার চাপাতি কেজি প্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এছাড়াও গরু জবাইয়ের ছুরি প্রতিটি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা এবং ধার দেওয়ার স্টিল প্রতিটি ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। পুরনো যন্ত্রপাতি শান দিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •