ছৈয়দ আহমদ তানশীর উদ্দীন


একেই করোনার জেরে প্রতিটা মুহূ্র্তে সাবধানে থাকতে হচ্ছে সকলকে, সাবধানে রাখতে হচ্ছে পরিবারের খুদে সদস্যদের। এমন সময় হাজির বর্ষা। বর্যা মানেই শিশুদের সর্দি কাশি, নানা সমস্যা। তবে এবছরে বর্ষার সঙ্গে রয়েছে করোনার প্রকোপও। তাই শুরুতেই শিশুদের স্বাস্থ্যেরপ্রতি বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।
শিশুদের এই সময় জল ফুঁটিয়ে খেতে দেওয়া উচিৎ। বর্ষাকালে জল বাহিত বহু অসুখ দেখা দেয়। যা থেকে সুস্থ রাখতে ফিল্টার জল খাওয়াতে হবে ছোটদের।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পোশাক পড়াতে হবে। বারে বারে পোশাক বদল করতে হবে, যাবে ঘাম না বসে, পাশাপাশি জামা ময়লা হতে দেওয়া যাবে না।
সামান্য ডেটল কিংবা স্যাভলন জলে মিশিয়ে হাতের কাছে রাখতে হবে। তা দিয়ে মাঝে মধ্যেই মুছিয়ে দিতে হবে শিশুর হাত ও পা।

কোনও ভাবেই বৃষ্টিতে ভেজা যাবে না। যদি বৃষ্টির জল গায়ে লাগে, তবে সামান্য গরম জল দিয়ে গা মুছিয়ে দিতে হবে।

প্রয়োজন না হলে ডায়াপার পরানো নয়। এতে ব়্যাশ দেখা যেতে পারে। তাই এই বিষয় নজর রাখা প্রয়োজন।

শিশুকে নিয়মিত সবুজ ফলমূল খাওয়াতে হবে।বাজারে সহজলভ্য এবং ফ্রেশ শাকসবজি ও মাছ মাংস, দুধ ডিম খাওয়াতে হবে।
শিশুর ঘর সব সময় পরিষ্রা রাখতে হবে। বাইরে থেকে এসে যেন সেই ঘরে কেউ প্রবেশ না করে। হাতে কাছে রাখতে হবে স্যানিটাইজার। শিশুর গায়ে হাত দেওয়ার আগে তা হাতে দিয়ে নিতে হবে।

এই সময় আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে। তাই সর্দি কাশি লেগেই থাকে। এসি-তে তাদের এই সময় না রাখাই ভালো।

প্রযোজন ছাড়া তাদের বাইরে নিয়ে যাওয়া নয়। মুখে মাস্ক দিলে শিশুদের শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তাই মাস্ক যতসম্ভব এড়িয়ে চলাই উচিত।
করোনার সংকটকালীন এ সময়ে শিশুদের প্রতি যত্নবান না হলে শিশু স্বাস্থ্য চরম ঝুঁকি তে পড়বে। শিশুরা নিরাপদ থাকলে আমাদের ভবিষ্যত ও নিরাপদ থাকবে।

 


ছৈয়দ আহমদ তানশীর উদ্দীন ,বিএসসি ইন নার্সিং,(চ.বি) ,এম পি এইচ ইন নিউট্রিশন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •