মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু, নাইক্ষ্যংছড়ি:
পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় দিয়ে শুরু হওয়া নাইক্ষ্যংছড়ি-চাকঢালা সড়ক সংস্কার কাজ শেষ হতে না হতে উঠে গেছে কার্পিটিং। এক মাসেও এ সংস্কার কাজ দীর্ঘ না হওয়ায় এলাকার সচেতন মানুষের মাঝে নানা অভিযোগ গোরপাক খাচ্ছে।

সংস্কার কাজে নিম্ম মানের ভিটামিন ব্যবহার, মাঠি মিশ্রিত বালু ব্যবহার এবং বৃষ্টিতে ময়লা আবর্জনার উপরে এই সংস্কার কাজ করায় শেষ হতে না হতে সড়কটিতে আবারো ছোট-বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ নিম্ম মানের কংক্রিটের কারণ ও পাতলা ভিটামিনযুক্ত পিচ ঢালাইয়ের কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।

জানা যায় এই সংস্কার কাজ চলাকালীন সময়ে অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেওয়ার পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ী, টমটম, রিকশা চালক থেকে শুরু করে অনেকেই অভিযোগ করেও কোন ধরণের কর্ণপাত করেনি এ কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বান্দরবান সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাধীন নাইক্ষ্যংছড়ি-চাকঢালা সড়কের ২০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে এ সংস্কার জুটি পায় ইউনুছ এন্ড ব্রাদার্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। যাহার তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন সাইফুদ্দিন হারুন। দেখাশুনা করেছেন আবু হান্নান।

এ প্রতিবেদক সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নাইক্ষ্যংছড়ি থানার মোড় থেকে শুরু হওয়া এই সড়কটিতে আবারো বিভিন্ন স্থানে কার্পিটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত আর গর্ত।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার অনেকেই এই ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদককে বলেন, উপজেলা সদরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া এ সড়কে যদি এমন নিম্মমানের কাজ হয় তাহলে এ উপজেলার বিভিন্ন স্থানের কাজের কি অবস্থা আল্লাহ জানে।

বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি-চাকঢালা সড়কে কারা এ কাজ দেখলে স্বয়ং ঠিকাদাররাও লজ্জিত হবেন বলে মনে করেন তারা। আমরা বাঙ্গালী জাতি এ লজ্জা রাখি কোথায়। এদিকে নিম্ম মানের কাজের বিষয়ে বান্দরবান সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সজিব আহমদ জানান, নিম্মমানের কাজের বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি খোঁজ খবর নিবেন বলে জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •