বার্তা পরিবেশক:

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে ভুয়া সেনা সদস্য সেজে অপহরণ নাটকের মূল হোতা ফায়সালকে আটক করলেই অপহরণ ঘটনার প্রকত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে এলাকাবাসী মানববন্ধনে দাবী করেছেন।

২০ জুলাই বিকাল সাড়ে চারটার দিকে ভোমরিয়াঘোনা ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় শত শত মানুষ অংশগ্রহণ করে।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ কারী বক্তারা দাবী করেন, বিগত দুই মাস আগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ফায়সাল নামের এক যুবক পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে এ ভুয়া সেনা সদস্য দিয়ে স্থানীয় আইডিয়াল যুব কল্যান পরিষদের সভাপতি তৈয়বুল হাসানকে বিগত ১৯ জুলাই দিবালোকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে অপহরণের চেষ্টা চালায়। কিন্তু স্থানীয় জনতা অপহরণ ঘটনা টের পেয়ে তৈয়বুল হাসানকে উদ্ধার করে অপহরণে জড়িত ভুয়া সেনা সদস্য আব্দুল্লাহকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এ ঘটনায় অপহরণ চেষ্টার স্বীকার তৈয়বুল হাসান বাদী হয়ে ভুয়া সেনা সদস্য আব্দুল্লাহ, মূল হোতা ফায়সাল ও অপহরণ কাজে ব্যবহৃত সিএনজি চালককে আটক করে কক্সবাজার মডেল থানায় মামলা দায়ের করে।

অপহরণের কবল থেকে রক্ষা পাওয়া তৈয়বুল হাসান জানান, বিগত দুই মাস আগে ফায়সাল গংয়ের সাথে অন্য একটি পক্ষের সংঘর্ষ হয়। ঐ সংঘর্ষ মারাত্বক রূপ নিলে স্থানীয় অপর এক আব্দুর রহিমসহ স্থানীয় লোকজন তাদের সংঘর্ষ থেকে নিভৃত করার চেষ্টা করে। ঐ ঘটনায় আহত ফায়সাল অহেতুক উল্টো ঘটনা নিভৃত করার চেষ্টাকারী তৈয়বুল হাসানের উপর প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠে। এর পর থেকে তাদেরকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিতে থাকে। বিগত দুই মাস পূর্বে ঘটনার দিনও এ ভুয়া সেনা সদস্যকে সেনা পোষাকসহ ঘটনাস্থলে দেখতে পায় স্থানীয়রা। তাই গত ১৯ জুলাই অপহরণ চেষ্টার মূল হুতা ফায়সালকে অবিলম্বে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অপহরণ চক্রের সিন্ডিকেট ও এর উৎস বেরিয়ে আসবে বলে দাবী করেন স্থানীয়রা।

এদিকে দিবালোকে অপহরণ চেষ্টার ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে নিজেকে রক্ষার জন্যে উল্টো অপহরণ চেষ্টার তৈয়বুল হাসানের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দায়েরে ষড়যন্ত্র করছে বলে জানান। দ্রুত সময়ে তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •