সিবিএন ডেস্ক:
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. আলমগীর জানিয়েছেন, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি কার্ড) ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। তিনি জালিয়াতি করে এনআইডি সংশোধন করেছেন কি-না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

আমরা অভিযোগ পেয়েছি তিনি জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে এনআইডি সংশোধেন করেছেন।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

ইসি সচিব বলেন, এনআইডি মহাপরিচালকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সাহেদ বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সনদ দিয়ে এনআইডি সংশোধন করেছেন। আমরা ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে দেখব প্রকৃত ঘটনা কী। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সংশোধিত এনআইডি বাতিল করা হবে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। আমরা ইতোমধ্যে এ ধরনের ঘটনায় অনেকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি। অনেকে শাস্তিও পেয়েছেন।

মো. আলমগীর বলেন, সাহেদ প্রথমে যে এনআইডি করেছিলেন, সেখানে তার নাম ছিল সাহেদ করিম। পরবর্তীকালে তিনি এটি সংশোধন করে মোহাম্মদ সাহেদ হয়ে যান। প্রথমে তার জন্ম সাল ছিল ২ জুন ১৯৭৮। পরবর্তীকালে তিনি সেটা ১৯৭৫ সালের ২ জুলাই করে নেন।

সংশোধনের স্বপক্ষে তিনি ও-লেভেলের কাগজপত্র দাখিল করেন, যেখানে প্রথমে তিনি সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস দেখিয়েছিলেন।

ইসি সচিব বলেন, আমাদের মাঠপর্যায়ের কেউ হয়তো সহায়তা করতে পারেন। তিনি তো মহাপ্রতারক আপনারাই বলছেন। কাজেই যে কোনো প্রতারণার আশ্রয় তিনি নিতে পারেন। আমার তদন্ত করে দেখছি। আমাদের কেউ যদি তার এনআইডি সংশোধন সংক্রান্ত জালিয়াতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন, তবে তার বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে বেশকিছু ঘটনায় আমরা আমাদের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছি।

কারও এনআইডি ব্লক করে দেওয়া হলে, তিনি এনআইডি নির্ভর সব ধরনের সেবা আর পান না। কেননা, সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এনআইডি যাচাই করতে গেলে সে এনআইডির অস্তিত্ব খুঁজে পাবেন না।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •