মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

তানভীর সরওয়ার রানা। কক্সবাজারের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, সাবেক সংসদ সদস্য, রাষ্ট্রদূত ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরীর কনিষ্ঠ পুত্র সন্তান। ৩ ভাই ৪ বোনের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ। খুটাখালী কিশালয় থেকে ১৯৯১ সালে এসএসসি, চট্টগ্রাম আর্ট কলেজ থেকে এইসএসসি ও গ্রাজুয়েশন করেছেন। এর পর আমেরিকা হতে পরিবেশ বিজ্ঞান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে ডিপ্লোমা করেছেন কৃতিত্বের সাথে। দীর্ঘ মেয়াদী ওয়ার্কশপ করেছেন আমেরিকাতে ২ টি। সেখানে তানভীর সরওয়ার রানা’র উদ্ভাবিত একটি উইন্ডমিল নাসা ও আমেরিকার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্ভাবক হিসাবে তাকে অফিসিয়ালি স্বীকৃতি দেয়। দেশে এসে ‘কক্সবাজার আর্ট ক্লাব’ প্রতিষ্ঠা করেন। এভাবেই জীবনের স্বর্নালী সময়ের ৪৫ টি বছর কেটে যায়-তানভীর সরওয়ার রানা’র। ৪৬ বছর বয়স শুরু হতেই তাঁকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে হলো।

নোয়াখালী জেলার চাটখীল উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম আযাদ ভুইঁয়া ও রাহেলা আক্তারের মাস্টার্স পড়ুয়া কণ্যা তাজিন সরওয়ার তন্নি (২৫)। তানভীর সরওয়ার রানা’র খালতো বোন মুনমুন আগে থেকেই ছিলেন তাজিন সরওয়ার তন্নি’র পরিবারের পুত্রবধু। অর্থাৎ নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম এর সহধর্মিণী। তার মাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে সামাজিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়। ১৭ জুলাই শুক্রবার কক্সবাজার, রামু ও চট্টগ্রাম থেকে পাত্র তানভীর সরওয়ার রানা সহ তার বড়ভাই রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল ও তাঁর সহধর্মিণী, বোন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনীন সরওয়ার কাবেরী, খালা খুশি, মামা রাশেদ, রনি, নুরুল হক চৌধুরী সহ মোট ১০ জন নোয়াখালী গিয়েছিলেন বরযাত্রী হিসাবে। তারা নোয়াখালী পৌঁছে জুমার নামাজের পর মাইজদী গ্রীণ হল রেষ্টুরেন্টে সীমিত পরিসরে এই ‘লকডাউন’ বিয়ে ও সবার মধ্যাহ্নভোজ সম্পন্ন করা হয়। প্রায় ২৫ বছর বয়সী কণে তাজিন সরওয়ার তন্নি-কে নোয়াখালী থেকে কক্সবাজারের রামু’র মন্ডলপাড়ায় তানভীর সরওয়ার রানা’র বাড়িতে নিয়ে আসা হয়-একইদিন রাত্রেই।

তানভীর সরওয়ার রানা তার বিয়ে নিয়ে তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি-তে তার নব পরিণীতা স্ত্রীর একটি ছবি দিয়ে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন। নিম্মে স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো :
“একজন ‘লকডাউন-বিয়ে-ভিকটিম’ রমণী, আমার প্রিয়তমা বউ তাজিন সরওয়ার তন্নি! আমার বড়ভাবি-বড়ভাই, ছোটমামী-ছোটমামা আর ছোটআপা মিলে, সুদূর নোয়াখালী থেকে, পারিবারিক-আপোষে তুলে নিয়ে আসলেন, ১৭ জুলাই দিবালোকে।”

তানভীর সরওয়ার রানা ও তাজিন সরওয়ার তন্নি দম্পতি তাদের দাম্পত্যজীবন সুখী হওয়ার জন্য সকলের দোয়া, আশীর্বাদ সহযোগিতা কামনা করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •