কক্সবাজার প্রতিদিন পত্রিকায় ১৬ জুলাই শেষের পৃষ্ঠায় ৬ কলামে নিচের অংশে প্রকাশিত প্রতিবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। যাহা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা মাত্র। আমরা উক্ত প্রকাশিত প্রতিবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। ব্যাঙের মুখে বর্ষা বাহির হয আসলে কথাটি সত্য, প্রকাশিত সংবাদে সুলাল ধর নিজে স্বীকার করেছেন আমাদের ৬ দিন পর অর্থাৎ ৪ জুলাই ১৯৮৭ সালে ১৪৮১ নম্বর কবলা মূলে তীর্থবালা ৩০ শতক,১৪৮৭ নং দলিল মূলে তীর্থবাসী ৪২ শতক জমি রামজীবন থেকে ক্রয় করে।

রামজীবন থেকে আমরা ২৮/০৬/৮৭ ইংরেজির ১৪২৩ নং দানপত্র দলিল মূলে ৭২ শতক জমির মালিক হয়।
উমখালী মৌজার বিএস ১৮৫৭ নম্বর সৃজিত খতিয়ানে ২৬ শতক জমি আমাদের নামে রেকর্ড হয়েছে, বিএস রেকর্ড ভুল হওয়ায় বাকি জায়গার জন্য রামু উপজেলা ভূমি অফিসে মিস মামলা দায়ের করি যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। তীর্থবালা,তীর্থবাসী থেকে সুধীর চন্দ্র, সুলাল ধর, ফনি ধর,, কাজল ধর,,অজল ধর,জুয়েল ধর,রুবেল ধর,মিনু বালা ধর,লিটন ধর,নীল কান্তি ধর, প্রদীপ ধর,হিরামান ধর ,নিহাদ ধর,সমির কান্তি ধর, লাকী বালা ধর, সুপ্রভাত রানী ধর,ক্রয় করার কথা প্রতিবাদে উলেখ করে।
তীর্থবালা,তীর্থবাসী জায়গা ক্রয় করছে আমাদের পরে প্রতিবাদকারী সুলাল ধর নিজে প্রতিবাদে স্বীকার করেছে। তীর্থবালা,তীর্থবাসী যেখানে জায়গা পাবে না।

সেখানে সুলাল ধর গং কিভাবে গায়ের জোরে জায়গা দখল বা দাবী করে তা আমাদের বোধগম্য নয়। সুলাল ধর গং এর কোন দখল আমল নাই ও ছিল না। বর্তমানে বিরোধী জায়গায় আমার ভাড়াটিয়া ঘরবাড়ি গাছপালা রয়েছে সরেজমিন তদন্ত করলেই আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে। দুই বছর আগে স্বল্প পুঁজি দিয়ে কুতুপালং স্টেশনে সুলাল ধর স্বর্ণের দোকান করত। রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে অল্প দামে ভেজাল সোনা ক্রয় করত এবং কুতুপালং এলাকার স্থানীয় মানুষকে বিক্রি করতো। এলাকাবাসী ভেজাল স্বর্ণ বিক্রির কথা জানতে পেরে সুলাল ধর থেকে টাকা ফেরত চাইলে সুলাল ধর টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে। তখন সুলাল ধর কে এলাকাবাসী গণধোলাই দেয় এবং দোকানে তালা লাগিয়ে দে। উক্ত মারো টাকা নিয়ে ঈদগাঁওতে আরেকটি নতুন স্বর্ণের দোকান খুলে। ভেজাল স্বর্ণের বিক্রির অভিযোগ উঠছে সুলাল ধরের বিরুদ্ধে ঈদগাঁওতেও।

এই অবৈধ মারা টাকার জোরে সম্প্রীতি উমখালী এলাকায় একের পর এক অসহায় একাধিক ব্যক্তির জায়গা ও বাড়ি ঘর জোরপূর্বক নেয় সুলাল ধর। অবৈধ টাকার জোরে বর্তমানে আমাদের উপর স্টিম রোলার চালাচ্ছে সুলাল ধর।
তার বিরুদ্ধে আদালতে রয়েছে একাধিক মামলা। সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও দুদক তদন্ত করলে সুলাল ধরের অবৈধ টাকার উৎস বেরিয়ে আসবে। অল্প দিনে সুলাল ধর হয়ে উঠছে হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। সুলাল ধরের এহেন ডাহা মিথ্যা ও প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। এলাকার সচেতন মহল কে মিথ্যা প্রতিবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
পলাশ চন্দ্র ধর
পিতা মৃত প্রবোধন চন্দ্র
পূর্ব উমখালী ধর পাড়া।

লিটন চন্দ্র ধর
পিতা নেপাল চন্দ্র ধর
হালদারকুল রাজারকুল ইউনিয়ন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •