বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাটস্থ আবদুল খালেক চৌধুরী চেয়ারম্যানের বসতভিটার স্থাপনা ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরের পেশকার পাড়ার ইয়াকুব আলীর পুত্র ফরিদুল আলম ও তার লোকজন সন্ত্রাসী কায়দায় এক সশস্ত্র হামলা চালিয়ে স্থাপনা ভাংচুর করেছে। আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে এই হামলা চালায়।
চেয়ারম্যান আবদুল খালেক চৌধুরী জানান, চতুর্থবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আবদুল খালেক চৌধুরী মহেশখালীর শাপলাপুরের অবস্থান করছেন। এই সুযোগকে পুঁজি করে তার বসতভিটা দখল করার অপচেষ্টা শুরু করে পেশকার পাড়ার ফরিদ। এর অংশ হিসেবে আজ শনিবার ৩০/৪০ জন লোকজন নিয়ে বন্দুক, কিরিচ, দা, রডসহ আবদুল খালেক চেয়ারম্যানের বসতভিটার উত্তর পাশের সীমানার ঘেরাবেড়া ও পিলার ভাংচুর শুরু করে। তা জানতে পেরে চেয়ারম্যান আবদূল খালেকের স্ত্রী এড. হামিদা পারভিন ও তার দুই পুত্রসহ অন্যান্যরা বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ফরিদুল আলম ও আরো কয়েকজন বাধা প্রদানকারী বাড়ির প্রহরী নূরুল আমিনকে বেদম মারধর করে। এতে তিনি আহত হয়েছেন। এসময় এক ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
হামলাকারীদের বাধা দিয়ে পেরে উঠতে না পেরে এড. হামিদা পারভিন থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দ্রুত একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযানে যায়। পুলিশ যাওয়ার সাথে সাথে ফরিদসহ হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। এর আগেই হামলাকারীরা আবদুল খালেক চেয়ারম্যানের সীমানার প্রায় সব ঘেরাবেড়া ও পিলার ধ্বংস করে ফেলে। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানান তিনি।
চেয়ারম্যান আবদুল খালেক চৌধুরী বলেন,’আমি না থাকার সুযোগে ফরিদ সন্ত্রাসী কায়দায় আমার খতিয়ানভুক্ত বসতভিটা দখলের জন্য দুর্ধর্ষ হামলা চালায়। এতে আমার প্রহরী আহত হয়েছে।’
এই ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান আবদুল খালেক চৌধুরী।

এ ব্যাপারে যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত ফরিদুল আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Posted by Nafees Islam Kader on Saturday, July 18, 2020

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •