বলরাম দাশ অনুপম :

পাঁচ শতাধিক পরিবেশ কর্মী নিয়ে সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসা বর্জ্য অপসারনে মাঠে নেমেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন। জেলা প্রশাসন ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির উদ্যোগ পরিবেশ অধিদপ্তর, বিভিন্ন পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় বুধবার শুরু হয় সম্মিলিত বীচ ক্লিনিং কার্যক্রম।

বুধবার সকাল ১০ টায় সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করে জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, আমাদের প্রাণের সৈকতের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে সবাইকে  কাজ করে যেতে হবে। যারা এই কাজে  এগিয়ে এসেছেন তাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। জেলা প্রশাসক আরো বলেন , বীচ ক্লিনিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সৈকতের নাজিরারটেক পয়েন্ট থেকে হিমছড়ি পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পড়ে থাকা এই বৈর্জ্য অপসারণ করা হবে।

উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আশরাফুল আফসার, কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাজমুল হুদা, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) ইমরান জাহিদ, সিনিয়র সাংবাদিক সরওয়ার আজম মানিক, এনভায়রনমেন্ট পিপল এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ, ইয়েসের প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন, সোশ্যাল এক্টিভিস্ট ফোরামের সমন্বয়ক এইচএম নজরুল ইসলাম, দরিয়ানগর গ্রীন বয়েজের সমন্বয়ক পারভেজ মোশারফ প্রমুখ।

সোশ্যাল এক্টিভিস্ট ফোরামের সমন্বয়ক এইচএম নজরুল ইসলাম জানান, নাজিরারটেক থেকে হিমছড়ি পয়েন্ট পর্যন্ত এলাকার বৈর্জ্য অপসারন প্রায় শেষ হয়ে গেছে। যা বাকী রয়েছে তা পরবর্তীতে লোক দিয়ে করানো হবে। তিনি বলেন-শুধু বৈর্জ্য অপসারন নয়, এসময় মৃত কাছিম মাটিতে পুঁতে ফেলা, জীবিত কাছিমকে সাগরে অবমুক্ত করার কাজ করেছে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবেশ কর্মী। উল্লেখ্য-কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই বর্জ্যে অপসারণ কাজে অংশগ্রহন করে এখানকার ১১টি পরিবেশ সংগঠন। এগুলো হল-এনভায়রনমেন্ট পিপল, ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস), কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলন, টিম কক্সবাজার, কক্সিয়ান এক্সপ্রেস, দরিয়ানগর গ্রীণ ভয়েস, প্লাস্টিক ব্যাংক বাংলাদেশ, ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস, উইকেন, তারুণ্যের প্রতিবাদ ও পরিবেশ বিক্ষণ।