ইমাম খাইর:
সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্যের চেয়ে ১০ শতাংশের বেশী মুনাফা করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ ইমরান হোসাইন।

তিনি জানান, বুধবার (১৪ জুলাই) বাজার মনিটরিং অভিযানে গ্যাস সিলিন্ডার দোকান মালিক সমিতির সভাপতির সাথে আলোচনা করে ক্রয় মূল্যের উপর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ মুনাফায় বিক্রির পরামর্শ দেয়া হয়। তাতে তিনি সম্মতি প্রকাশ করেছেন। সেই সাথে অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরও সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এদিন পরিবেশক সমিতির প্রদর্শিত ১২ কেজি ওজনের গ্যাস সিলিন্ডারের ক্রয়মূল্য হলো- ওমরা ৭৭০ টাকা, যমুনা ৭৪০ টাকা, টোটাল ৮১০ টাকা, এলপি ৬৯০ টাকা, কর্ণফুলী ৭১০ টাকা, ইউরিক ৭২০ টাকা।

কিন্তু খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, প্রতিটা গ্যাস সিলিন্ডারে কমপক্ষে ৩০০ টাকা মুনাফা করে খুচরা বাজারে বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা।

অবাক করা বিষয় হলো, সরকারী এলপি গ্যাসের ডিলার পর্যায়ে ক্রয়মূল্য ৭০০ টাকার নীচে হলেও বিক্রির বেলায় ১০০০ টাকার বেশী নেয়া হচ্ছে।

অতি মুনাফাখোর ও লোভী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী গ্রাহকদের।

এদিকে, কোন দোকানদার প্রদত্ত মূল্যের ১০ শতাংশের বেশি মুনাফা আদায় করলে অভিযোগ করতে পারবে বলে জানান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ ইমরান হোসাইন।

তিনি জানান, দোকানে মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে। বিক্রির সময় ক্যাশ মেমো এবং ক্রয়ের সময় ভাউচারে কার্বণকপি ব্যবহার বাধ্যতামূলক।  এ সংক্রান্ত কারো অভিযোগ থাকলে জানাতে অনুরোধ করেন মোঃ ইমরান হোসাইন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •