প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

কক্সবাজার সদর উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি রাজপথের অতন্দ্র প্রহরী জোট সরকারের নির্যাতিত, নিপীড়িত, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা, বর্তমান যুবনেতা আবদুল মালেকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন পুতু, সাধারণ সম্পাদক রাজিবুল হক চৌধুরী রিকোসহ সদর যুবলীগের অন্যন্যা নেতৃবৃন্দ। সে সাথে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের মামলা তদন্ত পূর্বক প্রকৃত জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে নিরপরাধ আবদুল মালেক মুক্তির দাবী ও তার নামে করা মামলা প্রত্যাহার করতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, আবদুল মালেক উড়ে এসে জুড়ে বসা বসন্তের কোকিল নয়, সে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে হাঁটি হাটি পা পা করে জোট সরকারের বহুরূপী নির্যাতন নিপীড়ন সয়ে আজ এই পর্যন্ত এসেছে। তার জনপ্রিয়তার ইর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষের ইন্দনে তাকে একটি ঘটনায় অভিযুক্ত করে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। সদর উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা বিশ্বস্ত এবং গোপন সূত্রে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পেরেছেন আবদুল মালেক সেইদিন ঘটনায় জড়িত ছিল না। তার সাথে চলাফেরা করা কয়েকজন ব্যক্তি ঘটনায় জড়িত বলে তদন্ত কমিটি প্রমাণ পেয়েছে। এই ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে যুবলীগ নেতা আবদুল মালেককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠিয়েছে। এটি অত্যন্ত দুঃখ জনক এবং অমানবিক।

যুবলীগের নেতৃবৃন্দরা মনে করেন, পুলিশ প্রশাসন ঘটনাটি যদি নিরপেক্ষ তদন্ত করে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে কারা বা কে কে জড়িত। সদর উপজেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দরা কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক সোহেলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান,পিএমখালী কমিউনিটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদকের উপর হামলা নিন্দনীয়।আমরাও চাই ঘটনায় প্রকৃত পক্ষে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হোক। তবে নিরাপরাধ কোন ব্যক্তি যেন মামলায় জেল না খাটে, হয়রানির শিকার না হয়। তারা দ্রুত আবদুল মালেকের মুক্তির দাবী জানান, সে সাথে তার নামে মিথ্যা অপপ্রচার, নামকে বিকৃতি না করতে জাতীর বিবেক সাংবাদিক ভাইসহ সকলের প্রতি অনুরোধ জানান বিবৃতিদাতারা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •