মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

রামু সরকারি কলেজের সামনে, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মাজহারুল উলুম মাদ্রাসার পাশে কৃষি জমিতে গত ৭ জুলাই সকালে পাওয়া বেওয়ারিশ লাশটির পরিচয় মিলেছে। গলাকাটা লাশটি কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়নের চাইংঙ্গামোরা এলাকার আবদুল আজিজের পুত্র শফিউল আলম হামিদের। রামু থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের সিবিএন-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি আরো জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মো. রাসেল নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওসি মোঃ আবুল খায়ের আরো বলেন, তারা ঘটনার রহস্য উদঘাটনের একেবারে চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। খুনিকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন। ঘটনার ক্লু তাদের কাছে রয়েছে। খুনিকে আইনের জালে আনার জন্য চেষ্টা চলছে।

গত ৭ জুলাই পাওয়া অজ্ঞাত এ লাশটির শরীরে খুনের প্রচুর আলামত ছিলো। ময়নাতদন্তের পর লাশটির কোন ওয়ারিশ না পাওয়ায় বেওয়ারিশ লাশ হিসাবে মৃতদেহটি আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের দাফনকর্মীদের দিয়ে দাফন করা হয়েছিলো। রামু থানার এসআই আবু হানিফ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী দিয়ে এ বিষয়ে সেদিন একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিলো।

তার আগে একইদিন সকাল ৭ টার দিকে একটি বেওয়ারিশ লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে রামু থানার এসআই গনেশ চন্দ্র শীলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ লাশটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। পরে লাশটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে রামু থানায় নিয়ে আসা হয়। লাশটির পাশে সেদিন পুলিশ একটি স্মার্টফোন পায়। সেটি জব্দ করে কললিষ্ট ধরে পুলিশ তদন্তের পর ঘটনার রহস্য উদঘাটনে সক্ষম হয়। ওই স্মার্ট ফোনের কললিষ্টের সুত্র ধরে সোমবার ১৩ জুলাই লাশটির পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কক্সবাজার শহরের তারাবনিয়ারছড়া এলাকার মোঃ রাসেল নামক একজনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •