নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশ স্বাধীন হয়েছে ৪৯ বছর। যারা প্রবীন তারা অনেকেই বিদ্যুৎ কি তা চিনে না, জানেনা। চেরাগ বা আগুনের মশাল ব্যবহার করে যাদের জীবন জীবিকা। এমন একটি গ্রাম রামুর গর্জনিয়ার মরিচ্যাচর। যে গ্রামটি বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে ।
সোমবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় এই লাইন চালু করা হয়।

রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মরিচ্যাচর গ্রামে প্রধানমন্ত্রীর শতভাগ বিদ্যুতায়নের অংশ হিসাবে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ এর আওতায় প্রথমেই বিদ্যুৎ সুবিধা পেলো গ্রামবাসী। স্বাধীনতার ৪৯ বছর পর গ্রামবাসি বিদ্যুতের আলোই আলোকিত করলো গ্রামটি।

গ্রাম সর্দার প্রধান মোঃ ইউনুস জানান, স্বাধীনতার পর থেকে শুধু শুনে এসেছি বিদ্যুৎ আসার কথা কিন্তু বিগত দিনের কোন নেতা আমাদেও বিদ্যুৎ সুবিধা দিতে পারেনি । বর্তমান সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমলের আন্তরিকতায় ও বর্তমান গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আজ আমরা বিদ্যুৎতের আলোই আলোকিত।

মরিচ্যাচর গ্রামের বাসিন্দা মোজাম্মেল এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি, গর্জনিয়া ইউনিয় পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও এলাকার কৃতিসন্তান সাংবাদিক নেজাম উদ্দিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।  তাদের আন্তরিকতাপূর্ণ সহযোগিতায় অন্ধকার একটি এলাকা আলোকিত হয়েছে বলেও জানান মোজাম্মেল।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কক্সবাজারের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আকতারুজ্জামান লস্কর জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মতে শতভাগ বিদ্যুতায়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কোন গ্রাম বিদ্যুৎবিহীন থাকবেনা। সে জন্য তাদের টিম প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ সেবায় কাজ করে যাচ্ছে।

গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম জানান, গর্জনিয়াতে শতভাগ বিদ্যুতায়নের জন্য তিনিসহ পরিষদবর্গ আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। অধিকাংশ গ্রাম বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে।

চেয়াম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম আশা করছেন, যেসব এলাকা এখনো বিদ্যুতায়নের আওতায় আসেনি সেসব এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছেন।

আজকে একটি গ্রাম আলোকিত করার জন্য পল্লী বিদ্যুতের সকল কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

সেই সাথে সামগ্রিক বিষয়ে সহযোগিতা করায় গর্জনিয়ার প্রথম সিভিল ইঞ্জিনিয়ার মৃত নুরুল হাকিমের ছোট ছেলে সাংবাদিক নেজাম উদ্দিনকেও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন চেয়ারম্যান নজরুল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •