ইমাম খাইরঃ
টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মো. ছৈয়দ আলম (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি টেকনাফ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড এলাকার মো. সৈয়দ আহমদের ছেলে।

ঘটনাস্থল থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা, ১টি এলজি ও এক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাতে টেকনাফ স্থল বন্দর সংলগ্ন ১৪ নম্বর ব্রীজের নিকটবর্তী কেয়ারী খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিজিবির দাবী, মো. ছৈয়দ আলম চিহ্নিত মাদক কারবারি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছৈয়দ আলম মিয়ানমার মন্ডু থানার বালুখালির গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি টেকনাফ পৌর এলাকার নাইট্যংপাড়া বসবাস করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে।

টেকনাফ ২ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান, টেকনাফ স্থল বন্দর সংলগ্ন ১৪ নম্বর ব্রীজের নিকটবর্তী কেয়ারী খাল এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে, এমন সংবাদে তাদের একটি বিশেষ টহলদল অবস্থান নেয়।

টহলদল দূর হতে দুইজন সন্দেহজনক ব্যক্তিকে খালের পাড়ে দেখে। কিছুক্ষণ পর এক ব্যক্তিকে নাফনদী সাতরিয়ে মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে। তিনি খালের মুখে আসার সাথে সাথে পূর্বে থেকে অপেক্ষমান দুই ব্যক্তি তার নিকটে এগিয়ে যায়। টহলদল চ্যালেঞ্জ করলে বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিক টহলদলটি তাদের ধাওয়া করলে সশস্ত্র ইয়াবা কারবারীরা বিজিবি সদস্যদের উপর অতর্কিতভাবে গুলি বর্ষণ করে। এসময় বিজিবি’র টহলদলটি সরকারী সম্পদ এবং নিজেদের জান ও মাল রক্ষার্থে কৌশলগত অবস্থান নিয়ে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় ৩-৪ মিনিট গুলি বিনিময় হয়।
পরে ওখান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক মাদক কারবারীকে উদ্ধার করা হয়। তাকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জরুরী চিকিৎসা শেষে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ‘মৃত’ ঘোষনা করেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •