এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া :

সরকারি নির্দেশনার আলোকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সিদ্বান্তে করোনা সংক্রমণে জীবিকা হারানো দরিদ্র ঋণগ্রহিতাদের কাছ থেকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সবধরণের কিস্তি আদায় থেকে সবাইকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। সেই আলোকে ইতোমধ্যে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে দুইদফা সর্তকতা মুলক নির্দেশনা সর্ম্পকে সবাইকে জানানো হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা থাকলেও তা লঙ্ঘনের মাধ্যমে চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নে এবার ঋণগ্রহিতাদের কাছ থেকে এনজিও মুক্তি ও আশার বিরুদ্ধে জোরপুর্বক কিস্তি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, শনিবার ১১ জুলাই সকালে সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের রাখাইনপাড়া এবং ৯ নং ওয়ার্ডের মধ্যম সুরাজপুর এলাকায় গিয়ে এনজিও মুক্তি ও আশার মাঠকর্মীরা ঋণগ্রহিতা নারীদেরকে কিস্তি দিতে চাপ প্রয়োগ করেন। ওইসময় মুক্তি ও আশা সংস্থার মাঠকর্মীদের সঙ্গে ঋণগ্রহিতাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি পরবর্তীতে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরী হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম ঘটনাস্থলে পরিষদের চৌকিদার পাঠিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম। তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনার আলোকে করোনা সংক্রমণে জীবিকা হারানো দরিদ্র ঋণগ্রহিতাদের কাছ থেকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সবধরণের কিস্তি আদায় থেকে সবাইকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। সেই আলোকে ইতোমধ্যে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে দুইদফা সর্তকতা মুলক নির্দেশনা সর্ম্পকে সবাইকে জানানো হয়েছে। তবে কোনো আগ্রহী সক্ষম ঋণগ্রহীতা কিস্তি দিতে চাইলে সেক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে কোনো বাধা থাকবেনা বলেও উপজেলা প্রশাসন নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রশাসনের নিদেশনা থাকলেও তা লঙ্ঘনের মাধ্যমে শনিবার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নে হতদরিদ্র ঋণগ্রহিতাদের কাছ থেকে জোরপুর্বক কিস্তি আদায়ের চেষ্ঠা করেছে এনজিও মুক্তি ও আশার মাঠকর্মীরা।

কেন্দ্রে গিয়ে সংস্থা দুইটির মাঠকর্মীরা ঋণগ্রহিতা নারীদেরকে কিস্তি দিতে চাপ প্রয়োগ করেন। ওইসময় মাঠকর্মীদের সঙ্গে ঋণগ্রহিতাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি পরবর্তীতে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরী হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিষদের চৌকিদার পাঠিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে।#

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •