ছবি : দীর্ঘ ৩ মাস পরে স্টেডিয়াম মাঠে ডিএসএ কর্মকর্তা এবং ক্রীড়া সাংবাদিকরা।

মাহাবুবুর রহমান :

আবারো প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরছে জেলার ক্রীড়াঙ্গনে। দীর্ঘ ৩ মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা সব ধরনের খেলাধুলা আবারো সচল করার চিন্তা করছে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা। এছাড়া করোনা পরিস্থিতির কারনে মাঠে আসা বন্ধ থাকায় কেউ কারো সাথে স্বাক্ষাত করতে পারেনি জেলার ক্রীড়া সংগঠক ক্রীড়াবিদরা তবে এখন আবারো অনেকে মাঠে আসছে। ফলে আবারো দেখা হচ্ছে একে অপরের সাথে। কুশল বিনিময় করছে সাথে আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনাও করছে তারা। সবার মুখে এখন একটি প্রত্যাশা আবারো প্রাণ ফিরে পাক জেলার ক্রীড়াঙ্গন।

৯ জুলাই কক্সবাজার বীর শ্রেষ্ট রুহুল আমীন স্টেডিয়ামে গিয়ে দেখা গেছে মাঠে কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড় এসেছে নিজেদের একটু ঝালিয়ে নিতে হালকা বেয়াম সহ দুএকজন ফুটবল নিয়ে মাঠে নামতে দেখা গেছে। এছাড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তাও এসেছেন মাঠে। এ সময় আলাপ কালে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বলেণ,করোনা পরিস্থিতির কারনে দীর্ঘ ৩ মাস ধরে বন্ধ আছে জেলার সব ধরনের খেলাধুলা তাই এখন কোন কর্মকর্তা খেলোয়াড় কেউ মাঠেআসে না। তবে এখন কয়েক দিন ধরে অনেকে মাঠে আসতে শুরু করছে আমি ও বিকাল বেলা নিয়মিত মাঠে আসি একটু আড্ডা দি এবং কিভাবে আবার খেলাধুলা শুরু করা যায় সে চিন্তা করছি এ বিষয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাথে আমাদের কথা বার্তা হচ্ছে। এ সময় ডিএসএর সিনিয়র সদস্য রতন দাশ বলেন,এপ্রিল মাসের শেষের দিক থেকে বৈশি^ক করোনা পরিস্থিতির কারনে পুরু বিশে^র মত বাংলাদেশ এবং কক্সবাজারেও বন্ধ আছে সব ধরনের খেলাধুলা আমার খেলাপাগল মানুষ আমাদের আর কোথায় যাওয়া জায়গা নেই আগে এখানে নিয়মিত কর্মকর্তারা খেলোয়াড়রা আসতে বিকাল বেলায় অন্তত ১০০র বেশি খেলোয়াড় মাঠে থাকতো খুব ভাল লাগতে এখন সেই দিন গুলোর জন্য খুব খারাপ লাগে যদি ও এখনো পরিস্থিতি বেশি স্বাভাবিক হয়নি তবুও আমরা প্রাণের টানে মাঠেআসছি। এখনে অনেক খেলোয়াড়রাও আসা শুরু করেছে। ডিএসএ সদস্য আশরাফুল আজিজ সুজন জানান,এখন ইউরোপে ফুটবল লা লীগ চলছে। ইংল্যান্ডে বনাম শ্রীলংকা ক্রিকেট টুর্নাামেন্ট শুরু হয়েছে সেখানে পাকিস্তান ও জাতীয় দলে পৌছেছে সব মিলিয়ে বিশে^ আবারো খেলাধুলার গতি আসছে। তবে দর্শক ছাড়া তাই আমাদের কক্সবাজারেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে খেলাধুলা শুরু করা যায় কিনা চিন্তা করার সময় এসেছে। এ সময় সাবেক কৃতি ফুটবলার মাসুদ আলম জানান,যদি এখনো অনুশীলনের অনুমতি আসেনি তবুও আমরা নিজেরা একটু শারীরিক ফিটনেসের জন্য মাঠে আমি খুব মিস করছি সব কিছু। তবে করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠে আবারো সব কিছু স্বাভাবিক হবে বলে আশা করেন তিনি। এ সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার অনেক কর্মকর্তা এবং ক্রীড়া সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •