ঈদগাঁহ সংবাদদাতা:
কক্সবাজার সদরের ইসলামাবাদ ৯ নং ওয়ার্ডের মধ্য গজালিয়া গ্রামের চারিদিকে জনবসতি, মধ্যখানে স্থাপন করা হয়েছে পোল্ট্রিফার্ম। তাও রিজার্ভ জমিতে। তাতে একদিকে সামাজিক ক্ষতি অন্যদিকে পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের চোখে ধুলো দিয়ে নির্মিত এই পোল্ট্রিফার্ম উচ্ছেদসহ আইনগত ব্যবস্থার দাবী স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, বেদারুল ইসলাম, কালু মিয়াসহ অনেকের অভিযোগ, আমির হোসেন নামের এক ব্যক্তি গরুর ফার্ম স্থাপনের কথা বলে মুরগির ফার্ম করেছে। বিষয়টি এলাকার মেম্বারকে অবগত করলে নিষেধ করেন। তাতে পাত্তা দেন নি। গায়ের জোরে পরিবেশ বিরোধী কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযুক্ত আমির হোসেন ইসলামাবাদ ৯ নং ওয়ার্ডের মধ্য গজালিয়ার মৃত মকবুল আহমদের ছেলে।

আইন বিরোধী এমন কাজের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার অফিসে গত ২ জুলাই লিখিত অভিযোগও করেছে মোজাম্মেল হক নামের সচেতন এক ব্যক্তি। যার অফিস স্মারক নং-৭১৩। অভিযোগটি তদন্তাধীন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আমির হোসেন জানান, তার ফার্মটি পাড়ার ভেতরে নয়। পাড়া থেকে অন্তত ৩০০ ফুট দূরে। পূর্বদিকে একটি মাত্র বাড়ি আছে। আশপাশে আর কোন বসতবাড়ি নেই। তার নিজের বাড়ি থেকেও অন্তত ২০০ ফুট দূরে ফার্মটি করা হয়েছে। তথাপিও এলাকার কিছু ব্যক্তি তার অগ্রযাত্রায় ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচার করছে বলে দাবী আমির হোসেনের।

পরিবেশবাদি সংগঠন ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস)এর প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন জানান, জনবহুল এলাকায় মুরগির ফার্ম করার কোন সুযোগ নেই। পরিবেশ বিরোধী এমন কাজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজ মিয়া জানান, এ বিষয়ে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছিল। পরে উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যানের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি গরুর ফার্ম করছেন বলে জানান। পরে দেখা যায় মুরগির ফার্ম নির্মাণ করছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •