গত ৫ জুলাই দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকাসহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজে ‘হোয়াইক্যংয়ে আ.লীগ নেতাকে সাজানো মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ/তদন্তের দাবিতে আইজিপিসহ বিভিন্ন দপ্তরে ভুক্তভোগীর স্ত্রীর আবেদন’ শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
সংবাদটি পড়ে আমি হতবাক। মিথ্যা বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এ সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
আমি ছোট্ট কাল থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি। পারিবারিকভাবে আমার ঐতিহ্য রয়েছে। দলের অধিকাংশ কাউন্সিলরের ভোটে আমি হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। কাউকে ফাঁসানো বা বিপদে ফেলে আমার কি লাভ? তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে আমার প্রাণের সম্পর্ক। কারো সাথে বিরোধ নেই।
শাহ আলম প্রকাশ মুল্লুক ৩ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মনোনীত সভাপতি। সে হিসেবে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নানা কার্যক্রমে তার সাথে আমার যোগাযোগ ছিল।
পুলিশ তাকে গ্রেফতার করায় তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার আমার শরণাপন্ন হন।
গ্রেফতারের বিষয় জানতে চাইলে আয়েশা আক্তার কোনো কারণ ব্যতীত তার স্বামীকে আটক করা হয়েছে জানান।
সে হিসেবে আমি তাকে আশ্বস্থ করি যে, বিনা অপরাধে হলে আমি যোগাযোগ করে দেখবো। পরবর্তীতে যোগাযোগ করে জানতে পারি, শাহ আলমকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়েছে।
এরপর আমার বলার বা করার কিছুই ছিলনা। প্রায় ৩ মাস পরে এসে পত্রিকাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারলাম, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে।
এ সংবাদে ঘৃণিত ইয়াবার সাথে আমাকে জড়ানো হচ্ছে। ডাহা মিথ্যা ও মানহানিকর।
শুধু তাই নয়, এসব প্রোপাগান্ডা হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক হওয়া থেকে শুরু করে অদ্যবধি অব্যাহত রাখে।
গেল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলেও আমাকে পরাজিত করতে নানামুখী অপতৎপরতা চালায় চিহ্নিত চক্রটি। কিন্তু দলের ভেতর বাইরে আমার অবস্থান ও জনপ্রিয়তা আমাকে ঠেকিয়ে রাখতে পারে নি।
এমনকি এত ষড়যন্ত্রের পরও আমাকে বিপুল ভোটে সভাপতি পদে নির্বাচিত করে তৃণমূলের কাউন্সিলররা। তখন থেকে অন্তরজ্বালা কিছু লোকের। এখনো তাদের কালো থাবা অব্যাহত।
সভাপতি নির্বাচিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন করতে দলীয় নির্দেশ মোতাবেক মাঠে কাজ করছি এবং সুখে-দুঃখে নেতাকর্মীদের পাশে রয়েছি।
আগামী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে লোকমুখে আমার নাম শুনে প্রতিপক্ষরা পাগল প্রায়। ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্র দিন দিন বাড়িয়ে দিয়েছে চিহ্নিত চক্রটি। এরই প্রেক্ষিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে প্রতিপক্ষ।
তাছাড়া সরকারের প্রশংসনীয় মাদক বিরোধী অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি চক্র সমাজের ক্লীন ইমেজের মানুষগুলোকে নাটকীয়ভাবে ষড়যন্ত্রমূলক মাদকের সাথে সম্পৃক্ত করে এ অভিযানকে বিতর্কিত করছে ইয়াবাচক্র। যাতে মাদক ব্যবসায়ী ও আশ্রয় প্রশ্রয়কারীরা পার পেয়ে যায়। পাশাপাশি সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ ছাপিয়ে বিভ্রান্তও করছে এই ইয়াবাচক্র। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আয়েশা আক্তারকে উৎসাহিত করে এমন মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয়েছে।
তাই ওই প্রকাশিত সংবাদে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ করছি। পাশাপাশি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী:
হারুনর রশিদ সিকদার
সভাপতি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন শাখা, টেকনাফ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •