সিবিএন  : 

দেশে করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই জনমানসে আতঙ্কের বদলে আশাবাদ সঞ্চারসহ সর্বস্তরের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। করোনায় মৃতদের লাশের ব্যাপারে মানুষের মনে যখন এক ধরনের নেতিবাচকতা ছিল, তখন (এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ) থেকেই করোনায় মৃতদের নিজ নিজ ধর্মানুসারে পূর্ণ ধর্মীয় মর্যাদায় বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা, স্বাস্থ অধিদপ্তর ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী শেষ বিদায় জানিয়ে আসছে কোয়ান্টাম। বর্তমানে দেশব্যাপী নয় শতাধিক করোনায় ও করোনা উপসর্গে মৃতের দাফন/ সৎকার/ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া/ সমাধি সম্পন্ন করেছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন।

এরই ধারাবাহিকতাই গত ১৬ জুন, ২০২০ থেকে কক্সবাজার জেলায় দাফনসেবার পরিধি সম্প্রসারিত করেছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। এ কাজে পূর্ণ সহযোগিতা করছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হাসপাতাল কতৃপক্ষ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কতৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধিগণ, মসজিদের ইমামগণ, স্থানীয় পত্র-পত্রিকা ও এলাকাবাসী। দাফন, সৎকার, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও সমাধিস্থ করার জন্যে পুরুষ ও মহিলাদের পৃথক দল রয়েছে কোয়ান্টামের। মানবিক আহ্বান থেকে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন ধনী-গরীব নির্বিশেষে বিনামূল্যে এবং স্বেচ্ছায় আপনজনের মমতায় করোনা শহিদদের শেষ বিদায় জানানোর কাজটি করছে।

৪ জুলাই পর্যন্ত  কক্সবাজার জেলায় মোট চারজনের দাফন-কাফন ও একজনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করেছে কোয়ান্টাম। পৌর এলাকায় তিনটি, রামু ও মহেশখালিতে একটি করে। উল্লেখ্য, গত প্রায় তিন সপ্তাহ থেকে অত্র এলাকায় আক্রান্তদের সুস্থতার পরিমাণ বেড়ে মৃত্যু হার কমেছে।
উল্লেখযোগ্য দাফনগুলির মধ্যে ছিল জীপ-কার-মাইক্রো মালিক সমিতির সভাপতি শাহ্ জাহান বাপ্পী সাহেবের মা, সকলের পরিচিত কবি কামরুল হাসান সাহেবের মা, মহেশখালির প্রাক্তন সাংসদ মোঃ রশিদ মিয়ার ছেলে গোলাম ছরওয়ার ও আইনজীবি এড. আবু সিদ্দিক ওসমানীর মা।
কোয়ান্টাম দাফনসেবার জন্যে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৩০৬ ২৫৭৫৭৫ এই নম্বরে। বিস্তারিত জানার জন্যে ভিজিট করুন quantummethod.org.bd

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •