আমি মো: রেজাউল করিম,বিএ(অনার্স) এম.এ, সাধারন সম্পাদক, লেমশীখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ,কুতুবদিয়া,কক্সবাজার।
পিতাঃ সৈয়দ আহমদ কুতুবী,(বি,কম),উপদেস্টা সদস্য, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ, সদস্য কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ,সাবেক কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ৩২ বছরের সফল সভাপতি ও ৪ বছর সাধারন সম্পাদক সাথে অত্র ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ২৪ বছর নিঃস্বার্থভাবে সততার সহিত দলীয় ও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে পুরো জেলায় গনমানুষের নেতাতে পরিনত হয়েছেন। এক কথায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আস্থাভাজন আওয়ামীলীগের খলিফা হিসাবে পরিচিত।

আমিও বাবার মত গনমানুষের নেতা হতে, চাকুরী না করে কোন ধরনের দুর্নীতিতে না জড়িয়ে সততার সহিত সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আসছি।
অগঠনতান্ত্রিকভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সংসদ এর আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আমাকে কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আরঙ্গজেব মাতবর (সাবেক উপজেলা ফ্রিডম পাটির সভাপতি,সাবেক জামাতের এমপির ভায়রা ভাই,বিএনপির এমপির জামাতা,দুই ভাই কুখ্যাত শিবিরই ক্যাডার,অন্য ভাই জাতীয় পাটির ৪ নম্বর সহসভাপতি।) তার বিভিন্ন চাঁদাবাজি,দুর্নীতি, মাশোহারা দলের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী সকল অপকর্ম করে লিজ নেয়া দলের মত যখন তখন যাকে তাকে অত্যাচার ও বহিস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আমাকে অন্যায়ভাবে বহিস্কার করা হয়।

ফ্রিডম পাটির ১ম মিশন মেজর ডালিম,ফারুকদের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে ক্ষান্ত না হয়ে তাদের অনুসারী আরঙ্গজেব ২য় মিশন বঙ্গবন্ধুর দলকে হত্যা করতে পরিকল্পিতভাবে ২০১৫ সালে টাকার বিনিময়ে উপজেলা সভাপতি নির্বাচিত হয়ে কুতুবদিয়ার আওয়ামীলীগকে শিয়ালের কাছে মুরগি বাগা দেওয়ার মত করে সকল ত্যাগী নেতা কর্মীদের বিভিন্নভাবে শারিরিক,মানসিক,প্রশাসনিক অত্যাচার করে প্রত্যেককে দলের সকল কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দিয়ে নিজ বলয় তথা জামাত,বিএনপি,ফ্রিডম নেতাদের নিয়ে বীর দর্পে লুটপাটে নেমে আমার মত দক্ষিণ ধূরং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম সিঃ, কৈয়ারবিলের যুগ্ন আহবায়ক মোসলেম খান সহ আরো অনেককে তাহার দুর্নীতি ও সংগঠন বহির্ভূত কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় যখন খুশি তখন বহিস্কার করেছেন যা নতুন কি! পুরাতন কথা।

আরঙ্গজেব এর উক্তি- ‘আমি সেই দিন হব শান্ত যেদিন হবে কুতুবদিয়া আওয়ামীলীগ শুন্য’। তাইত ২০১৪ সালে ১৫ আগষ্টে জাতীয় শোকদিবসে উপজেলা আওয়ামীলীগের আলোচনা সভায় ১০০০ উর্ধব নেতা কর্মীর সামনে মাইকে বলেছিলেন- আমি বঙ্গবন্ধুর হত্যা কারিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ও ২০২০ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারির আলোচনা সভায় নেতা কমীদের সামনে বলেছেন-‘ ব্রাশ ফায়ারের মাধ্যমে আমরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছি’। ইতিহাস কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক।তাইত ফ্রিডম নেতার আওয়ামীলীগ বিরোধী এসব আলামত তার সুস্পষ্ট প্রমাণ।

চলমান মহামারীর এসময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেওয়া বিভিন্ন ত্রাণ ও বিকাশে নগদ ২৫০০ টাকা এবং WFP দেওয়া লিষ্ট তৈরি করতে অন্যান্য ইউনিয়নের ন্যায় লেমশীখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রাজাকার পুত্র রফিক আহম্মদ সিকদার এর মাধ্যমে নগদ ৫০০/৭০০ টাকা করে করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় আমি প্রতিবাদ করিলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ষোষণা মতে দূর্নীতিবাজদের মুখোশ খুলে দিলে তারা তেলে বেগুনে জলে উঠে আমার মুখ বন্ধ করতে ২৩ জুন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্টা বাষিকী পালন না করে মাত্র ১০ জন সদস্যের উপস্হিতিতে আওয়ামী পরিবারের সন্তান অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব সময় প্রতিবাদী নেতাকে কেন্দ্রিয় নির্দেশনা অমান্য করে ( উল্লেখ্য যে উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত এক সদস্য হতে জানা যায় যে, আমার বহিস্কার বিষয়ে কোন রুপ মতবিনিময় না করে শুধু উপস্থিতি স্বাক্ষর নিয়ে আওরঙ্গজেব এর ব্যক্তিগত চক্রান্তে) অননুমোদিত উপজেলা কমিটির মাধ্যমে অগঠনতান্ত্রিক ভাবে বহিস্কার করার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

২০১৫ সালে তিনি সভাপতি হবার পূর্বে তাহার ব্যবসা বলতে ৪০ হাজার টাকা দামের একটি ইট ভাঙ্গার মেশিন ছিল । বর্তমানে তিনি ২০১৫ সাল থেকে কুতুবদিয়ার সকল জলদস্যু ও চিহ্নিত ইয়াবা ব্যাবসায়িদের প্রশাসনিক শেল্টার দিয়ে কোটি কোটি টাকা ভাগাভাগি করেন। জামাত,বিএনপির কন্ট্রাক্টরদের নিয়ে কুতুবদিয়ার সরকারী অফিস জিম্মি করে উন্নয়নে হরিলুট, বাহির থেকে কোন ঠিকাদার কাজ করতে আসলে সকল কাজ তাকে দিতে হবে, এ নিয়ে পুকুরচুরি ও দলের নেতা কর্মীদের না দিয়ে  তাহার সকল কর্মচারিদের নাম দিয়ে সরকারী  টি আর, কাবিখা হরিলুট করে, তাতে কেহ প্রতিবাদ করিলে সকল ধরণের অত্যাচার শুরু করে। বর্তমানে কুতুবদিয়ায় তাহার ২টি হাইড্রোলিক বড় ট্রাক,২টি জীপ, ৫টি ট্রলি, ১টি বড় ফিশিং বোট, ২ টি বড় লবণ বোট, চট্রগ্রামে কোটি টাকার উর্ধে ফ্লাট বাডি, পেকুয়া, চকরিয়া, চট্রগ্রামে আরো অনেক প্লট ও জায়গা। কুতুবদিয়া হেড কোয়াটারে কোটি কোটি টাকা
দামের মেডিকেলের সামনে ২ দাগে রাস্তার পাশে বিশাল জায়গা , সোনালি ব্যাংকের সামনে, বড় ঘোপ মাছবাজারের পাশে,বিদ্যুৎ মার্কেটে বিশাল প্লট, গ্রামের রাজবাড়ি,চিংড়ি ঘেরে প্রমোদ ভিলা, কলস্যা ঘোনা, কলস ডম ,মিয়ার ঘোনা, আরো অনেক খানে জায়গায় ক্রয়। এবং আওয়ামীলীগকে লীজ নেওয়া দলের মত নেতা কর্মীদের উপর সবসময় অত্যাচার করিলে, তাতে আমি প্রতিবাদ করিয়া আসিলে সম্পূর্ণ নিজের স্বার্থে আমাকে বহিস্কার করে হত্যার হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বর্তমানে আমি নিরুপায় হয়ে  তাহার দূর্নীতি, অত্যাচার ও জিম্মি কুতুবদিয়া আওয়ামীলীগকে মুক্ত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি এবং ভবিষৎতে আমার প্রতি যে কোন অগনতান্ত্রিক ও হুমকি ও ক্ষতির জন্য তাকে ও তাহার বাহিনীদের আসামি করে জনগনকে স্বাক্ষী রেখে আইন আদালত ও কুতুবদিয়া থানার শরণাপন্ন হব।

সর্বশেষ আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় আসলেও ২০১৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩২ বছর আমার পিতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু সারা জীবনের পুজি বসবাসের অযোগ্য বেড়ার ঘর যা প্রতি বর্ষায় মেরামত করতে হয়। যা আমাদের জন্য কষ্টের তবুও সুন্দর নিলোভ জীবন নির্বাহ করি । কারন প্রিয় দল ক্ষমতায় সেটাই শান্তনা । আর সেখানে দলচ্যুত,দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি আওরঙ্গজেব মাত্র ৫ বছরের সভাপতি হয়ে প্রায় ৫০ কোটি টাকার উপরে টাকার মালিক হয়েছে। তিনি কোথায় হতে এত কোটি টাকার মালিক জনগন ও দলের কর্মীদের প্রশ্ন?

আর আমি লেমশীখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করলেও (১৯৯০ সাল থেকে প্রাথমিক স্কুলের সভাপতি হয়ে) বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শকে ধারণ করি বলে অভাব অনটনের সংসার নিয়ে জীবন পার করতে হয় সেজন্য নিজের মধ্যে শান্তি খুঁজে পাই আর বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে গর্ববোধ করি কারণ আমাদের আদর্শ ও ত্যাগের রাজনীতি হল আসল। আর পরপারে শক্তি ধনদৌলত নয় ঈমান ও আমল হল আসল। জয় হোক সততার, জয় হোক জনতার,জয় হোক ত্যাগের।

কুতুবদিয়ার সত্যিকারের আদর্শিক ও ত্যাগী নেতা কর্মীদের একটা কথা অবিলম্বে দুর্নীতিবাজ, দলচ্যুত, সন্ত্রাসী আওরঙ্গজেবকে উপজেলা সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে দলের ত্যাগী,নিবেদিত, আদর্শিক লোককে পদ দিয়ে প্রিয় বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগকে বাচানোর জন্য কেন্দ্রীয়, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের নিকট আমার আকুল আবেদন। আমি দীর্ঘদিন যাবত আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে যতটুকু জানি প্রিয় আওয়ামী লীগের নেতারা অবশ্যই দুর্নীতির বরপুত্র আওরঙ্গজেবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে আর আমার প্রিয় কুতুবদিয়া আওয়ামী লীগকে বাঁচাবে।

জয় সত্যের,সুন্দরের ও আদর্শের হবে ইনশাআল্লাহ।

 রেজাউল করিম

সাধারণ সম্পাদক,

লেমশীখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ

কুতুবদিয়া।

 

সিবিএন/বিজ্ঞাপন

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •