রামুর কাউয়ারখোপে অন্যত্র সরিয়ে পেলা অবস্থায় ত্রাণের চাল উদ্ধার করল উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা শিরোনামে ৩ জানুয়ারী কক্সবাজার খবর ও কক্সবাজার নিউজ ডটকমসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য বৃন্দ,তারা বলেন কাউয়ারখোপ বাজারের হারুন সওদাগরের দোকান থেকে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ১৭ বস্তা ত্রাণের চাওল ও ৭কার্টুন বিস্কুট উদ্ধারের বিষয় টি সত্য, কিন্তুু সংবাদে চেয়ারম্যান কে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি, আসল কথা হল ২ জানুয়ারী আমাদের ইউনিয়নের অসহায় ও হতদরিদ্র ৯৫০ জন মানুষকে ত্রাণ দিয়েছে ডাব্লিউএফপি নামে একটি এনজিও সংস্থা, এই সময় ডাব্লিউএফপির কর্মকর্তাবৃন্দ ও ইউনিয়ন পরিষদের ১০ জন সদস্যবৃন্দ এবং পরিষদের চৌকিদার দফাদার সবাই মিলে আইডি কার্ড যাচাই-বাছাই করে এই ত্রাণ সামগ্রী সুন্দর ভাবে বিতরণ করা হয়, আমার পরিষদের ইউপি সদস্য হাবিব উল্লাহ, আবদুল্লার বিভিন্ন অনিয়মের কারন আমার কছে ধরা পড়লে তাদের সাথে আমার বিরোধ সৃষ্টি হয়,এই দুই জন মেম্বার মিলে ১৭ বস্তা ত্রাণের চাউল ৭কার্টুন বিস্কুট ক্রয় করে কাউয়ারখোপ বাজারের হারুন সওদাগরের দোকান জমা রেখে আমি বিক্রি করছি মর্মে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে মিথ্যা সংবাদ দে, যাহা সরেজমিন তদন্ত করলেই আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে, উক্ত ত্রাণের বিষয়ে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নাই, যাহা শাক দিয়ে মাছ ডাকার অপচেষ্টা মাত্র, আমাদের পরিষদের সামনের কম্পিউটারের দোকান দার আবদুল হাকিম হিমেল ত্রাণ দেওয়ার নামে প্রায় ৩০ জন লোক থেকে ১০০০ হাজার থেকে ১৫০০ টাকানে, তাদেরকে ত্রাণ ও দেনি ওবং টাকা ফেরত দেননি, তাকে সহযোগিতা করে মেম্বার হাবিব উল্লাহ ও আবদুল্লা, উক্ত মিথ্যা সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য প্রশাসন ও জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি এবং সরোজমিন তদন্ত পূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি এবং মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন না করে সরেজমিন তদন্ত পূর্বক সঠিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য সংবাদকর্মী ভাইদের অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য বৃন্দ
কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদ, রামু।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •