শাহেদ মিজান, সিবিএন:

২০ দিন চিকিৎসা নিয়ে করোনা মুক্ত হয়েছেন বণিক বার্তার কক্সবাজার প্রতিনিধি এম. ইব্রাহিম খলিল মামুন ও তার বৃদ্ধ পিতা। গত ২৮ জুন ফলোআপ রিপোর্টে সাংবাদিক মামুনের নেগেটিভ হয় এবং গতকাল ২ জুলাই তার পিতার নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। আক্রান্তের পর থেকেই তারা দু’জন রামু করোনা আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সাংবাদিক মামুন এই বিষয়টি জানান।

তিনি জানান, সামান্য জ্বরে আক্রান্ত হলে গত ১১ জুন তিনি ও তার পিতা করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। দুইদিন পর ১৩ জুন তাদের পজেটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর দিনই চিকিৎসার জন্য তারা রামু করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি হন। পরে পরিবারের সবাইকে পরীক্ষা করা হলে সবার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

সাংবাদিক এম. ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, আমার প্রথম একদিন হালকা জ্বর হয় এবং বাবারও কিছুটা উপসর্গ দেখা দেয়। তাই ঝুঁকিমুক্ত থাকতে রামু করোনা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি হই। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার কোনো ধরণের উপসর্গ ছিলো না। তবে বাবার অক্সিজেন সিচ্যুরেশন কমেছিলো। তাকে চিকিৎসার প্রায় সময় অক্সিজেন দেয়া হয়। তবে ক্রমান্বয়ে দু’জনই সেরে উঠি। প্রথম ফলোআপ নমুনা পরীক্ষায় বাবার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। তবে গত ২৮ জুন প্রথম ফলোআপ পরীক্ষায় আমার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। গতকাল ২ জুলাই দ্বিতীয়বার ফলোআপ পরীক্ষায় বাবার রিপোর্টও নেগেটিভ। এভাবে আমরা দু’জন করোনা মুক্ত হয়েছি।

তিনি বলেন, করোনা যেহেতু বয়স্কদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বাবাকে নিয়ে একটু ভয়ে ছিলাম। কিন্তু মহান আল্লাহ আমাদের দু’জনকে করোনা মুক্তি দান করেছেন। শুকরিয়া মহান আল্লাহর। সেই সাথে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •