শফিক আজাদ, উখিয়া:
দেশে করোনা শনাক্তের প্রায় ৪ মাস অতিবাহিত হতে চলছে। এই দীর্ঘ সময় ধরে মাঠে-ময়দানে ত্রাণ বিতরণ থেকে শুরু করে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে একাই কাজ করে যাচ্ছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী। অদম্য সাহসি এই কর্মকর্তার কর্মকান্ডের প্রতি প্রশংসা করেছেন সচেতন উখিয়াবাসি।

সরকারি নির্দেশনা মতে, করোনার সংক্রমণ রোধে লকডাউন ঘোষণার পর থেকে ইউএনও নিকারুজ্জামান চৌধুরী মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করতে রাত-দিন দায়িত্ব পালন করে গেছেন। পাশাপাশি লকডাউনে ঘরবন্ধি অসহায়,হতদরিদ্র, কর্মহীন ব্যক্তিদের সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ সহায়তা থেকে শুরু করে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। এমনকি ইউএনওর সাথে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তার অফিসের কর্মচারী, অফিস সহায়ক সালাউদ্দিন। সে বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছে।

উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক পলাশ বড়ুয়া বলেন, করোনা মহামারিসহ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি দ্রুত সময়ে তা সমাধানের চেষ্টা করেছেন। একই সাথে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি, জীবানু নাশক পানি ছিটানো এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। তবে সেক্ষেত্রে দুয়েকজন ছাড়া জনপ্রতিনিধিদের উল্লেখ্যযোগ্য ভুমিকা চোখে পড়েনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, করোনা সংকটের শুরু থেকেই স্থানীয় জনগনের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়। তৎমধ্যে নিয়মিতভাবে প্রচলিত ২৪০০০ ভিজিডি ও ১১০০০ খাদ্যবান্ধব সাহায্যের পাশাপাশি করোনা কর্মহীন মানুষের মাঝে ১২৮ টন জি আর নগদ ১০,১৩,৪০০ টাকা বিতরণ করা হয়। উপজেলায় ৭৯৪ টি শিশুকে শিশু খাদ্য দেয়ার পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা ৫৭৮১ জনকে নগদ ২৫০০ টাকা বিতরণ চলমান আছে। তাছাড়া সকল কওমি মাদ্রাসা,মসজিদ ও বৌদ্ধমন্দির সমুহে সহায়তা প্রদান করেন উপজেলা প্রশাসন।

তিনি আরো বলেন, সহায়তা বিতরণে দ্বৈততা পরিহার করনে ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে একটি ডাটাবেইজ তৈরী করে করোনা কালীন সরকারি সাহায্য বিতরণ চলমান রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •