অন্তর দে বিশাল :

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে  ভেসে আসল ক্ষত-বিক্ষত ডলফিন,কিছু সময়ের ব্যবধানে মুমূর্ষু অবস্থায় মৃত্যু ঘটে ডলফিনটির।
ধারণা করা হচ্ছে, জেলেদের জালে অথবা ট্রলারে আঘাত পেয়ে মারা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,  বুধবার (১ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের শৈবাল পয়েন্টে ডলফিনটি ভেসে আসে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পেটের নাড়িভুড়ি বেরিয়ে এসেছে। আঘাত পাওয়ার কারণে ডলফিনটির মৃত্যু হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মুমূর্ষু ও ক্ষতবিক্ষত ডলফিনটি দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়ও। ডলফিনটির সাথে সেলফি ও তুলতে ব্যস্ত কিছু উৎসুক জনতা। পরে সৈকতের দায়িত্ব প্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্য এসে জনতার ভিড় কমায়।

এই বিষয়ে পরিবেশবাদী সংগঠন, সেভ দ্যা নেচার অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আ.ন.ম মোয়াজ্জেম হোসেন জানান-মৃত ডলফিনটি দেখে অনুমান করা যায় মৃত্যু হয়েছে বেশিক্ষণ হয়নি, তবে সাগরে মৎস্য আহরন নিষিদ্ধ সময়েও কক্সবাজারের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে জেলেরা মাছ শিকারের জন্য সাগরে যায়, তাদেরই কোন জালে আটকে ও আহত হয়ে যে ডলফিনটি মারা গেল তা স্পষ্ট। তবে পোষ্ট মর্টেম রিপোর্টে কি আসে সেটি পরে জানা যাবে।

কক্সবাজার পরিবেশবাদীর মতে-সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় ২০১২ সালের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন সংশোধন করে ডলফিন সহ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্টান গঠনপূর্বক আলাদা আইন ও নীতিমালা প্রনয়ন আজ সময়ের দাবী।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •