মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া:
লামা উপজেলার ৩নং ফাঁসিয়াখালীতে জন দুর্ভোগ দূরীকরণে সড়ক সংস্কারে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়। সবখানে বিফল হয়ে প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা ব্যায়ে নিজ উদ্যোগে কাজ শুরু করে দিলেন স-মিল ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনসহ আরো কয়েকজন।
ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ শাহজাহান বলেন, গুলিস্তান বাজার এলাকায় ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংযোগস্থল অর্ধ কিলোমিটার সড়ক বছরের পর বছর ধরে অবহেলিত। প্রতিনিয়ত সড়কটি দিয়ে চলাচল করছে কুমার মারঝিরি, ফুটেরঝিরি, কুতুবদিয়া পাড়ার অন্তত বিশ হাজার জনগণ। কিন্তু দুঃখজনক সত্য যে প্রতি বর্ষার মৌসুমে এসড়ক দিয়ে রিক্সা সিএনজি দুরের কথা সাধারণ লোকজনের চলাচল সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
শাহাজাহান আরো জানান, জন দূর্ভোগ নিরসন করতে এসড়কটি সংস্কারে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ এমনকি মন্ত্রণালয়েও আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু কেউ আমলে না নেয়ায় ফলাফল শুন্যই থেকে যায় এবং রয়ে যায় জন ভোগান্তি। পরে চলতি বর্ষার মৌসুমে স্থানীয়রা চলাচলের দুঃখ-দুর্দশা দেখে অসহ্য হয়ে আমরা নিজেদের উদ্যোগে সড়কটি সংস্কার কাজ শুরু করি।
বাজারের ফার্নিচার ব্যবসায়ী মহি উদ্দিন জানান, ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের এসড়ক দিয়ে তিন গ্রামের জনগণ গুলিস্তান বাজারে বেচাকেনা করতে আসা-যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। এটি সংস্কার দাবীতে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করেও ব্যার্থ হই আমরা। আর কোন উপায়ান্তর না পেয়ে আমরা নিজেরা উদ্যোগে সংস্কার কাজ শুরু করি। ব্রিক সলিং-এ কাজ চলায় শেষ হতে একটু বিলম্ব হচ্ছে। যদি আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।
সড়ক নির্মানে উদ্যোক্তা স-মিল মালিক জসিম উদ্দিন জানান, অন্তত পঞ্চাশ হাজার টাকা ব্যায়ে ফাঁসিয়াখালীর গুলিস্তান বাজার সংযোগ সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। ইতোমধ্যে আমরা সড়কের কাদাগুলো অপসারণ করে সড়কের উঁচুনিচু সমান করা হয়েছে। বালি ও কংক্রিট মিশ্রণ দেওয়ার পর ইট বসানো হচ্ছে এবং শীঘ্রই সংস্কার কাজ শেষ হবে। সাধারণ জনগণের চলাচল দুর্ভোগ লাঘবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকের হোসাইন মজুমদার বলেন, গুলিস্তান বাজার সংলগ্ন সড়কটির জন দুর্ভোগের ব্যপারে আমরা ইতিপূর্বে অবগত হয়েছি। পরিষদের বরাদ্দ শেষ হয়ে যাওয়া কিছুই করা সম্ভব হয়নি। আগামীতে বরাদ্দ আসলে আগে এ সড়কটির প্রতি অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •