শফিকুল ইসলাম নয়ন

 

অন্ধ পৃথিবীর অন্ধ মস্তিষ্কের মাঝে পদচারণায় পথিক হয়ে গেছি। প্রতিনিয়ত অজান্তে খেয়ে ফেলি ধাক্কা, খেয়ে ফেলি উষ্ঠা। আফসোস করা ছাড়া আর কি কিছু আছে? কবে হবো সুস্থ মস্তিষ্কে মানব?
এখন খুব করে প্রয়োজন, প্রয়োজন পৃথিবী সুস্থ করার আগে মানব মস্তিষ্ক সুস্থ করা। মহামারীর চেয়ে অন্যায় কে বড় চোখে দেখি। আপনিও নাহ্?

সেটাই তো সঠিক। সবাই দেখি, তবে বাস্তবে প্রয়োগ করি ক’জন! আমিতো অসুস্থ মস্তিষ্ক নিয়ে কথা বলতেছি। মহামারী ক’বছরই বা স্থায়িত্ব নিয়ে থাকে। বড়জোর এক বছর! না হয় দু’বছর ধরলাম। তবে, দিন দিন যে অসুস্থ মস্তিষ্কের আক্রান্ত মানবের সংখ্যা সময়ের সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তা নির্মূলের চিন্তা ক’জনই বা করি। এটি যে মহামারীর চেয়ে ভয়ংকর; তা নয় কি?

অসুস্থ মস্তিষ্ক, এটি শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত করলাম মাত্র। আচ্ছা, সুস্থ মস্তিষ্কের মানব’ সৃষ্টির সেরা জীব কখনো কি অন্যায়, দুর্নীতি, অত্যাচার,
ব্যভিচার, চোরাচালানি, খারাপ ও নশ্বর জাতীয় কর্মে লিপ্ত হবার ক্ষমতা রাখে?

নিশ্চয়ই আপনার প্রতুত্তর “না” হবে। তবে আমারটি ভিন্ন, কিন্তু আপনিই সঠিক। শব্দে ব্যবহৃত অসুস্থ মস্তিষ্কের মানবই ঐসবের ক্ষমতা রাখে। তবে জানেন কি? সেটি ক্ষমতা নই! হ্যা এটির নাম দিলাম অক্ষমতা।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভয়ংকর নাম হচ্ছে কভিড-১৯। জানা আছে সবারই, এটি ছোঁয়াচে রোগ। স্পর্শে আসলেই আক্রান্ত হাওয়ার সম্ভবনা।
অসুস্থ মস্তিষ্ক, মনে হয় এটি আরো ভয়ংকর! স্পর্শেরই প্রয়োজন হয়না। শুধু লোভ আর লালসা বিরাজ করলেই হয়ে যায়। কখন কার হয়ে যায় বলা যায়না। প্রয়োজন পড়েনা সমাজিক দূরত্বের। তবে অসুস্থ মস্তিষ্ককরাই তৈরি করে দূরত্ব। অনেক বড় দূরত্ব। আক্রান্ত হলেই অঢেল সম্পদের মালিক। এতটাই দূরত্ব বজায় রাখে যে দেশান্তরি হয়ে যায়।

যাক, এটির আর বলার কি আছে।কাহারো অসুস্থতা নিয়ে কথা বলা বেমানান। তবে রোগটি ভিন্ন তাই বলা আরকি। পরবর্তী প্রজন্মেের জন্য চিন্তা হয়। খুব করে চিন্তা হয়, দুশ্চিন্তা।
অসুস্থ মস্তিষ্কের আক্রান্ত মানবের দ্বারা রাষ্ট্রে খারাপ প্রভাব পড়বে না তো? পড়তেও পারে, অজানার কি আছে।

যখন-
২ পিস রুটির মূল্য ৭০০০ টাকা
১ টা কলার মূল্য ২০০০ টাকা
১ টি ডিমের মূল্য ১০০০ টাকা
১ টি ওয়ান টাইম প্লেটের মূল্য ১০০০ টাকা
১ টি টিস্যুর মূল্য ১১১ টাকা সহ ২০০ জন ডাক্তারের ১ মাসের খাবারের বিল ২০ কোটি টাকা দেখানো হয় তখনই বুঝার কথা, বুঝার কথা এটাই যে কভিড-১৯ রোগীদের সুস্থ করে তোলার আগে ঐসব অসুস্থ মস্তিকের মানুষ গুলোকে সুস্থ করা।

দীর্ঘ করতে গেলে সমাপ্তি ঘটানোর নিয়ম জানা নেই।ঘুরিয়ে পেচিয়ে ও বলার কি আছে তাই লেখাটার ইতি টানলাম।

চলুন, মস্তিষ্ক সুস্থ করার চেষ্টা করি। চেষ্টা করি প্রজন্ম বাঁচাতে। বাঁচাতে রাষ্ট্র।

 


লেখক : শিক্ষার্থী ,কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। E-mail: [email protected]

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •