ওসমান আবির :

কক্সবাজারের টেকনাফে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল সহ ১২ জন চিকিৎসক ও টেকনাফ মডেল থানার ১৪ জন পুলিশ সদস্য।তাদের মধ্যে ১ জন পুলিশের উপ-পরিদর্শক সহ ৭ জন পুলিশ সদস্য ও ১ জন নারী চিকিৎসক করোনাকে জয় করে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।এই সব তথ্য সিবিএনকে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল।

ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল বলেন, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১২ জন চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৮ জন।চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪ জন।তবে কর্মস্থলে যোগদান করেছেন ১ জন।সুস্থ হওয়া বাকি ৭ জন ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইন শেষ করে খুব শীগ্রই কর্মস্থলে যোগদান করবেন।কর্মস্থলে যোগদান করা নারী চিকিৎসক নাঈমা সিফাত দুই বার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।দ্বিতীয় বারেও করোনা ভাইরাসকে জয় করে কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।

ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন,পুলিশ সদস্যরা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কোভিড-১৯ থেকে স্থানীয় জনসাধারণকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রচার-প্রচারণা ও জনসচেতনতা সৃষ্টির কাজে লিপ্ত ছিলেন। এতে তাঁদের অনেকের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়।এ পর্যন্ত টেকনাফ মডেল থানার একজন পুলিশ পরিদর্শক,২ জন উপ-পরিদর্শক সহ ১৪ জন পুলিশ সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

সর্বশেষ গত শনিবার আক্রান্ত হয়েছেন পুলিশ-পরিদর্শক (ওসি অপারেশন) রাকিবুল ইসলাম।আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে এসআই মনির আহমদ ও ছয়জন কনস্টেবল দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে আইসোলেশন (বিচ্ছন্ন) থাকার পর সুস্থ হয়ে আজ সকালে কর্মস্থলে ফিরেছেন। এ সময় থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ তাঁদের ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আরও সাতজন আইসোলেশন শেষে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে কর্মস্থলে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •