এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া :

কক্সবাজার জেলার নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার শারীরিকভাবে অসুস্থ। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম শহরের নিজ বাসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি বেশ কদিন ধরে শ্বাসকষ্ট আর বুকের ব্যাথায় ভুগছিলেন। তবে চিকিৎসা নেয়ার পর বর্তমানে তাঁর বুকের ব্যাথা ও শ্বাসকষ্ট নেই, তিনি আগের তুলনায় বেশ সুস্থতা অনুভব করছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি নিশ্চিত হয়েছেন, তাঁর কোন কোভিট উপসর্গ নেই।

এদিকে তিনি সুস্থ হয়ে আবারও কর্মক্ষেত্রে ফিরে আসতে পারে সেইজন্য চকরিয়া উপজেলার সকল জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রাথমিক শিক্ষাবিভাগ, চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সকল শিক্ষকমন্ডলী, সকল এসএমসি কমিটি, সাংবাদিক পরিচিতজন এবং চকরিয়া শিক্ষা অফিসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

চকরিয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার ২০১৯ সালে কক্সবাজার জেলার আট উপজেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা নির্বাচিত হবার গৌরব অর্জন করেন।

তিনি যোগদানের পর থেকে উপজেলার ১৪৫টি বিদ্যালয়কে ক্লাস্টারে বিভক্ত করে সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদেরকে ক্লাস্টার ভিত্তিক তদারকির দায়িত্ব দিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় সাধনপুর্বক টিম ওর্য়াক কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে চকরিয়া উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মানন্নোয়ন ও বিদ্যালয় গুলোতে সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করেছেন। যার বদৌলতে বর্তমানে চকরিয়া উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাখাতের অভাবনীয় পরিবর্তন এসেছে।

প্রসঙ্গত: দেশজুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় মানবিক কাজের অংশহিসেবে দেশবাসির সঙ্গে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছেন কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। চকরিয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তারের অনুরোধের প্রেক্ষিতে গত ১৯ এপ্রিল উপজেলা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসের সকলস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই মিলে করোনা সংক্রমণে দেশবাসির কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিলে দিয়েছেন ৬ লাখ সাত হাজার টাকার অনুদান।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •