• তৌহিদুল আরব

আশা করি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কোন সমাধান হবে না। কারণ, উখিয়া -টেকনাফ ও রামু বাসী আমরা দলবদ্ধ হয়ে কোন প্রতিবাদ করি না। আমাদের ও হয়তো রয়েছে কোন দূর্বলতা!

আর দুই -এক বছর পরে দেখবেন স্থানীয় উখিয়া – টেকনাফবাসীর অবস্থা কেমন হয়!

এইদেশ থেকে রোহিঙ্গা কেন মায়ানমারে চলে যাবে সেটা ও দেখার বিষয়।

রোহিঙ্গারাতো এই দেশে রয়েছে রাজকীয় হালে, থাকা খাওয়ার চিন্তা নাই ।

এর মূল কারণ কী জানেন….?
যে দেশের সঠিক আইনের প্রয়োগ থাকেনা যে দেশে আইনের কোন ধার ধারে না।
সে দেশে আইন বইয়ে কি লেখা আছে তা কিছু যায় আসে না।

আসলে রোহিঙ্গারা কি এ দেশের শরনার্থী , নাকি এই দেশের মাটি তাদের সম্পত্তি ?

আমার একটা বিষয় বুঝে আসেনা, শরনার্থী আইনের যে ধারাগুলো লেখা আছে তা আমার দেশের আইন প্রয়োগকারীরা পড়েন কিনা!
যদি পড়ত তাহলে তো আইনের পাতায় লেখা কথাগুলেঅ মানাতে বাধ্য করা হত।

শরনার্থীদের কর্ম চিত্র নিম্নে তুলে ধরা হলো।
★ সাহায্যকারী সংস্থার উচ্চ পদে চাকরী করা
★ বাংলাদেশী লাইসেন্স বিহীন গাড়ি চালানো।
★ একাধিক সিম ব্যবহার করা।
★ বিভিন্ন যানবাহনের মালিক হওয়া।
★ ডাক্তারি করা।
★ফার্মেসীর মালিক হতে পারা।
★ ভিন্ন অবৈধ ব্যবসায়িক কাজে লিপ্ত হতে পারা।
★ পার্সপোট নিয়ে বৈধ্ভাবে বিদেশ পাড়ি জমা।
★ ভালোমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখা পড়া করে সার্টিফিকেট নেওয়া।
আরো কত কি……….।

উপরে উল্লিখিত করতে পারবে বলে শরনার্থী আইনে উল্লেখ আছে, নাকি তা নিষিদ্ধ !
এই কাজগুলা যদি নিষিদ্ধ হয়ে থাকে তাহলে এইসব কিভাবে সম্ভব।

কথা হলো :
এই কাজ গুলি করতে স্থানীয় প্রভাবশালীরা যদি তাদের সহযোগীতা না করে রোহিঙ্গাদের ধারা এই কাজ গুলি কোন মতেই সম্ভব বলে মনে হয় না।
আমরা লোভি আমরা সামান্য টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যায়।

আমার প্রিয় কক্সবাজার কে আমি এক দল সন্ত্রাসীর হাতে তুলে দিচ্ছি ।
প্রিয় মাতৃভূমি কি আমরা ভালোবাসি না…?

আমারদের মাঝ থেকে যখন কিছু দেশ প্রেমিক সাহসী কলম সৈনিক ইমরুল কায়েস চৌধুরীর এবং তরুণ সাংবাদিক নজরুল ইসলামের মতো সাহসী নেতারা যখন বলে বলে উঠে

আমার মাটি আমার মা, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের দিব না , তখন আমরা চুপ করে বসে থাকি যেন আমরা হিজড়া! আমাদের কেন জানি মনে হয় আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে ওনাদের সাথে সঙ্গ দিলে।

আমরা যদি আমাদের কক্সবাজারকে এই ভাবে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দিই,  পরবর্তী প্রজন্ম আমাদেরকে অভিশাপ দেবে ।তখন আমরা  মরেও শান্তি পাব না।

তাই আসুন সকলে হাতে হাত রেখে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রোহিঙ্গাদের সকল অপকর্ম রুখে দিই । আমাদের প্রিয় কক্সবাজার কে শান্তির পর্যটন নগরী হিসাবে গড়ে তুলি।

 


তৌহিদুল আরব ,অনলাইন লেখক ও ব্লগার , চকরিয়া, কক্সবাজার।


মতামত লেখকের একান্ত ব্যক্তিগত । – সিবিএন

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •