নিজস্ব প্রতিবেদক:

হোপ ফাউন্ডেশন ফর উইমেন এন্ড চিলড্রেন অব বাংলাদেশ পরিচালিত উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের মধুছরা এলাকায় ক্যাম্প-৪ এ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হোপ করোনা আইসোলেশন ইউনিট এর উদ্বোধন করা য়েছে। সোমবার (২২জুন) সকালে এই করোনা ইউনিটের উদ্বোধন করেন কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোঃ মাহবুব আলম তালুকদার।

হোপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ডাঃ ইফতিখার মাহমুদ এর সভাপতিত্ত্বে, কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম জাহিদুজ্জামান এর সঞ্চালনায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উক্ত ইউনিট শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ভিডিও কনফারেন্সে অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কাজী মোঃ মোজাম্মেল হক, কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডাঃ মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোঃ শামসুদ্দৌজা, ক্যাম্প ইনচার্জ মোঃ মাহফুজুর রহমান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার অফিসের হেল্থ কোঅর্ডিনেটর ডাঃ আবু তোহা এম.আর.এইচ. ভুইয়া, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর হেল্থ সেক্টর কোঅর্ডিনেটর ডাঃ মুখেশ কুমার প্রজাপতি, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশ এর কক্সবাজার সাব-অফিস প্রধান রুজেলিদা রাফায়েল, হোপ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ম্যানেজার শওকত আলীসহ সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ সরাসরি যোগদান করেন।

উল্লেখ্য, উক্ত হোপ আইসোলেশন ইউনিটের মাধ্যমে রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় (উখিয়া/টেকনাফ) করোনা রোগীদের প্রাথমিক ও মধ্যম টাইপের সেবা প্রদান করা হবে। এই করোনা আইসোলেশন  ইউনিটে আর্থিক সহযোগিতা দিয়েছে ইসলামিক ডেভেলাপমেন্ট ব্যাংক, ডাইরেক্ট রিলিফ (ইউএস) ও ইউএনএফপিএ।

একই সাথে হোপ ফাউন্ডেশন রামু চেইন্দাস্থ ক্যাম্পাসে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় আরেকটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হোপ করোনা আইসোলেশন ইউনিট এর কাজ চলছে। এই মাসের শেষ সপ্তাহের দিকে উক্ত ইউনিট এর শুভ উদ্ভোধন করবেন সম্মানিত জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বলে কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম জাহিদুজ্জামান জানান। এই সেন্টারের মাধ্যমে রামু এবং সদর উপজেলাসহ আশপাশের এলাকার করোনা রোগীরা সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

আমেরিকা প্রবাসী ডা. ইফতিখার মাহমুদ এর অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধার মাধ্যমে কক্সবাজার জেলায় মাতৃমৃত্যু, শিশু মৃত্যুর হার কমানো এবং ফিস্টুলা মুক্ত করার জন্যই বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তারই সার্বিক তত্ত্বাবধানে উক্ত করোনা ইউনিটটি পরিচালিত হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •