এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও:
কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও বাজারে অপরিচ্ছন্ন ড্রেনে বিষিয়ে উঠেছে জনজীবন- পরিবেশ। দেখার যেন কেউ নেই। বর্তমানে ড্রেনটি বেহাল দশায় পরিনত হয়ে পড়েছে। দীর্ঘকাল ধরে ড্রেনটি সংস্কার না করায় ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ঈদগাঁও বাজারের প্রধান ডিসি সড়কের ভূমি অফিসের লাগোয়া ড্রেনটিতে ময়লা আর্বজনায় ছেয়ে গেছে। অন্যদিকে জালালাবাদ সওদাগর পাড়া সড়কের প্রবেশ পথেই ড্রেনটির করুন দশার চিত্র চোখে পড়ে। বর্তমানে দেশের সব এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়ায় ভরে গেলেও ঈদগাঁও বাজার ও সওদাগর পাড়ার পানি চলাচলের ড্রেনটি উন্নয়ন বঞ্চিত। এমনকি বাজারে বৃহৎ এলাকার লোকজন প্রয়োজনীয় কাজেকর্মে এসে থাকে। কিন্তু পঁচা ড্রেনের দুগন্ধ পেরিয়ে প্রতিনিয়ত আসা যাওয়া করে। বন্যাতো দূরের কথা,একটু বৃষ্টি হলেই ড্রেনটি ময়লায় ভরপুর থাকার কারনে সুষ্টভাবে পানি যাতায়াত করতে পারছেনা। যার দরুন বাজারের বিভিন্ন উপসড়কে পানি জমে গিয়ে বাজারে আগত লোকজনের চলাচলের ক্ষেত্রে নানা অসুবিধা সৃষ্টি হয়। বর্ষা মৌসুমে তো কথায় নেই হাটু পরিমান পানিতে নিমজ্জিত থাকে পুরো বাজার বাসী। বারবার ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ীদেরকে।

এছাড়াও ড্রেনটিতে কতিপয় লোকজন ময়লা আবর্জনা ফেলে ভরাট করে রাখার ফলে বৃষ্টির পানি যাতায়াত করতে না পারায় বর্ষায় নানা দূর্ভোগে পড়তে হচ্ছে চলাচলকারী লোকজন দেরকে। সে সাথে ড্রেনের নোংরা পানি আর ময়লা আবর্জনার দূগন্ধে পরিবেশ বিষিয়ে উঠছে। ঈদগাঁও বাজারসহ পাশ্বর্বতী সওদাগর পাড়ার প্রবেশ পথের ড্রেনটি সংস্কার করে পানি চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি করার আহবান সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট।

২০ জুন সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদক উক্ত স্থানদ্বয়ের পানি চলাচলের ড্রেনটিতে ময়লা আবর্জনা,নোংরা পানির দৃশ্য চোখে পড়ে। উপস্থিত কজনের সাথে কথা হলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঈদগাঁও বাজারের দক্ষিন পাশের ড্রেন আর সওদাগর পাড়ার প্রবেশ পথের ড্রেনটি অতীব নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন। এখানকার লোকজনকে আরো সচেতন হওয়া দরকার বলে মনে করেন তারা।

সচেতন মহল জানান, দক্ষিন চট্রলার বৃহৎ বানিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারের ময়লা আবজর্না, ড্রেন সংস্কার কাজে সামাজিক সংগঠনের কর্মীরা যদি সেচ্ছায় বাজার পরিস্কার পরিচ্ছন্নের লক্ষে এগিয়ে আসেন, তাহলে কিছুটা হলে ব্যবসায়ী,বাজারমুখী লোকজনসহ পথচারীরা উপকৃত হতো।

ঈদগাঁও বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদেরসহ সাধারন সম্পাদক হাসান তারেক জানিয়েছেন, ড্রেন সংস্কার কাজ বাজার কমিটির নয়। এটি ইজারাদার এবং জনপ্রতিনিধির কাজ।

জালালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মুঠোফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •