বার্তা পরিবেশক:
রামু উপজেলার রশিদ নগর ইউনিয়নের বিতর্কিত চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলমের অনিয়ম দুর্নীতি তুলে ধরে কক্সসবাজার জেলা প্রশাসক ও রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন অত্র পরিষদের সদস্যরা।
মঙ্গলবার (১৬) জুন এই অভিযোগ পত্রটি পরিষদের সদস্যরা জেলা প্রশাসকের কাছে দেন। এই অভিযোগ পত্রে পরিষদের ৭ জন সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।

এতে চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলমের যাবতীয় অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা,ঘুষ বানিজ্য,পক্ষপাতিত্ততা ও স্বজনপ্রীতির চিত্র তুলে ধরে এর থেকে পরিত্রান চেয়ে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। চেয়ারম্যান শাহ আলম দায়িত্ব নেয়ার শুরু থেকেই বিতর্কিত হয়ে আসছেন। বিশ্ব আজ করোনা ভাইরাসে দিশাহারা। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। চেয়ারম্যান শাহ আলম ইতিমধ্যে প্রতিটি সনদ হইতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গা পার্সপোট করার জন্য জাতীয় সনদ পত্র দেয় যাহা স্থানীয় পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে প্রতিবেদনে প্রকাশ হয়।

বজল মেম্বার জানান, বয়ষ্ক ভাতা, বিধবা ভাতা,মাতৃত্ব ভাতায় প্রচুর অনিয়ম রয়েছে। চেয়ারম্যানের এহেন আচরনে আমরা জন প্রতিনিধিগন প্রতিনিয়ত হেয়পতিপন্ন হচ্ছি অন্যদিকে এলাকার অসহায় মানুষেরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ ছাড়াও তাহার বিরুদ্ধে জমি দখল,অবৈধ পাহাড় কাটা,নিজের ডাম্বার দিয়ে গাছ কাটে পরিবেশ ধ্বংস করছে।পাহাড় কাটা ও গাছ কাটার দায়ে চেয়ারম্যানের ডাম্পার গাড়ি হাতেনাতে আটকহয় প্রশাসনের কাছে যা স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছিল। রামু উপজেলা প্রশাসন কতৃর্ক জে.আর চাল ও ১০ কেজি হারে মনগড়া তালিকা প্রস্তুত করে বিগত ৭ জুন অসহায় দরিদ্র ৫০০ পরিবারের জন্য আসা জে.আর চাউল ১০/০৬/২০২০ তারিখে এনজিও এফ এইচ কতৃর্ক পরিষদের মাধ্যমে প্রদত্ত ত্রাণ সহায়তা গুলো সুবিধাভোগিদের বাদ দিয়ে একক ভাবে মনগড়া তালিকা তৈরি করে নিকটতম আত্নীয় স্বজন ও তাহার আশপাশের একই সুবিধাভোগিদের বরাবরই প্রদান করেন। বহু অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আছে যাহা স্বাক্ষাতে উপস্থাপন করিব। এমতাবস্থায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করিয়া এলাকার করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের ন্যায্য সহযোগিতা ও সরকারি সাহায্য পাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহন ও মেম্বারদের জনসংখ্যা অনুসারে ত্রাণ ও নগদ অর্থ বরাদ্দ প্রদানের করিতেছি। এই ব্যাপারে এমডি শাহ আলম চেয়ারম্যানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে, তিনি এসব অপ্রপচার বলে জানান।

এক সময় বিএনপির কট্টর নেতা শাহ আলম নিজের বুদ্ধিমত্তায় মেম্বার থেকে চেয়ারম্যান হওয়ার পর অল্প সময়ে কোটি টাকার সুরম্য বাড়ি, ৪ টি ট্রাকের মালিক হয়েছে তাও তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী তারই পরিষদের মেম্বারগণ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •