হারুনর রশিদ, মহেশখালী:
কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলাতে প্রবল বর্ষণে জনপদের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। অভ্যন্তরিন সড়কের ব্রীজও কালভার্ট ভেঙ্গে যোগাযোগ বিছিন্ন রয়েছে। থেমে থেমে টানা ৩দিন যাবৎ মুসলধারে বৃষ্টি হচ্ছে মহেশখালীতে।
১৬ জুন সকাল ১০টা দিকে প্রবল বর্ষণ শুরু হলে পাহাড় থেকে বৃষ্টির পানির ঢল নামে। ওই পাহাড়ী ঢলে তলিয়ে ধ্বসে যায় শাপলাপুরস্থ মিঠাছড়ি এলাকার ব্রিজটি। যার কারণে শাপলাপুর জনতা বাজার সড়কটি যোগাযোগ বিছিন্ন রয়েছে।
সকাল থেকে গোরকঘাটা টু শাপলাপর জনতা বাজারে সকল গাড়ী যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। একটানা কয়েক দিন বৃষ্টি হলে এ সড়কটিতে আরো কয়েকটি ব্রীজ ধ্বসে পড়তে পারে। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে এ সড়কে ১২টি ব্রীজ নতুন তৈরী করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে মহেশখালী এলজিইডি অফিস সুত্রে জানা গেছে।
সড়কে গাড়ী যোগাযোগ বিছিন্ন বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী সবুজ কুমার দে জানান, বৃষ্টিতে ব্রীজটি ভেঙ্গে যাওয়ার সংবাদ পাওয়ার পর অফিসের লোকজন পরিদর্শন করেছে । একটু বৃষ্টি কমলেই দ্রত প্রাথমিক সংস্কার করে গাড়ী ও জন চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। বৃষ্টি কমলে ব্রিজটি টেকসই ভাবে সংস্কারের ব্যবস্থা করার জন্য এস্কিম পাঠানো হবে।
মাতারবাড়ীতেও বৃষ্টির পানির কারণে সদ্দার পাড়া,মগড়েইল, হংসমিয়াজির পাড়াও সাইরারড়েইল এলাকায়
জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
কালামারছড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার চাষিদের পানের বরজের ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। চালিয়াতলি বাজারের উপর দিয়ে পাহাড়ী ঢলের পানি গড়িয়ে পড়ে দোকান ঘরও রাস্তাঘাটের ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
হোয়ানক ইউপি সদস্য নুরুল কবির জানান, প্রবল বর্ষণের কারণে পাহাড়ী ঢলের স্রোতে কাঁছা রাস্তাঘাট ভেঙ্গে গেছে।
পৌরসভার ৬নাম্বার ওয়ার্ডের সমাজসেবক সামশুল বলেন, উপজেলা প্রশাসন, বনবিভাগ, হাসপাতালসহ বেশ কিছু এলাকার পানি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড বলরামপাড়ার চিপা সড়কের উপর দিয়ে বর্ষার পানি চলাচল করে। সড়কটির দৈন্যদশা থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •