ফেসবুক থেকে:
এই মহামারী পরিস্থিতিতে ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই। কমিশনার একরাম হত্যার পর নতুন মিশনে নেমেছে নুর হোসেনকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা। টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের নূর হোসেন চেয়ারম্যানে জনপ্রিয়তা ও আদর্শিক রাজনীতিকে হত্যার করার মিশন শুরু করেছে।

নিজ ইউনিয়নে মরন নেশা ইয়াবার চালান উঠেছে খবর পেয়ে সাবরাং ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান নূর হোসেন তার পরিষদের দফাদার আলী আহমদ ও চৌকিদার মোহাম্মদ ইসলাম কে নিয়ে রাত ১২টার পর বেইংগা পাড়া গিয়ে ঘটনার সত্যতা জেনে পুলিশকে অবহিত করলে থানা থেকে এসআই রাম ও তার ফোর্স সহ শাহ আলম এর বাড়ি থেকে ৪০হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং পুলিশ আসামীও গ্রেফতার করে যা অত্র এলাকার শত মানুষ সাক্ষী।

এর আগেও ইয়াবার চালান পুলিশকে ধরিয়ে দিয়ে সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেন নজির সৃষ্টি করেছিলেন।
তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করার জন্য তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ষড়যন্ত্র মূলকভাবে তাকে সেই মামলায় ১ নাম্বার আসামী করে ফাঁসানো হয়েছে যা মিথ্যা ও সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং ভিক্তিহীন! এই ঘটনায় চেয়ারম্যান নুর হোসেনের পক্ষে শত! শত, মানুষ সাক্ষী আছে।

নূর হোসেন একজন শিক্ষাঅনুরাগী,সামাজিক ও উদার প্রকৃতি মানুষ। তিনি সাবরাং উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং সাবরাং দারুল উলুম মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি। সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের গণমানুষের প্রিয়নেতা, সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাবরাং ইউনিয়ন শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের বারবার নির্বাচিত সফল সাধারণ সম্পাদক, সাবেক রাজপথ কাঁপানো ছাত্রনেতা নুর হোসেন চেয়ারম্যান।

আওয়ামী-পরিবারকে ধ্বংস করার জন্য পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্রমূলক মরণনেশা ইয়াবার অপবাদ দেওয়া হয়েছে। যিনি নিজে সাবরাং ইউনিয়নে এই মরণনেশা ইয়াবার বিরোদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে একের পর এক ইয়াবার চালান প্রশাসনের মাধ্যমে রুখে দিয়ে ইয়াবামুক্ত টেকনাফ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন আজ তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সাবরাংবাসীর প্রিয়নেতা নুর হোসেন চেয়ারম্যানকে রাজপথ থেকে সরানোর জন্য যে জঘন্য ষড়যন্ত্র সৃষ্টি হয়েছে তার তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয় যেভাবে সুনামের সাথে কক্সবাজারে মাদক দমনে ভূমিকা রেখে চলেছেন ,আমি সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি,

এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে আপনার সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পক্ষ থেকে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র সচিব ও আই জি মহোদয় বরাবর দরখাস্ত দেয়া হবে।
এই জঘন্য ষড়যন্ত্রের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য অন্যথায় কোন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা জনপ্রতিনিধি বা জননেতারা ভবিষ্যতে ইয়াবা দমনে এগিয়ে আসবে না।

নুর হোসেন বিরুদ্ধে যদি সঠিক তদন্ত না করে ষড়যন্ত্র হয়, তাহলে কক্সবাজার আওয়ামী পরিবার রাজপথে মানববন্ধন করবে।

পাশাপাশি আমি অনুরোধ করবো- টেকনাফ উপজেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কে এই জঘন্য ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রাজপথে প্রতিবাদ ও মানব বন্ধন করার জন্য।

এবং প্রশাসন!কে সঠিক ও সুষ্ট তদন্ত করে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চাই।

 

মাসুকুর রহমান বাবু
যুবলীগ নেতা ও
বেসরকারী কারা পরিদর্শক, কক্সবাজার জেলা কারাগার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •