মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

মোট ১৫১৫ করোনা ভাইরাস রোগী নিয়ে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে কক্সবাজার জেলা চতুর্থ স্থানে রয়েছে। এর আগে কক্সবাজার জেলা ষষ্ঠ স্থানে ছিলো। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন নিজস্ব ফেসবুক আইডি’তে রোববার ১৪ জুন দেওয়া স্ট্যাটাস থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

স্ট্যাটাসে গত ১৩ জুন পর্যন্ত পরিসংখ্যান দিয়ে জেলায় মোট ১৪৪৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর কথা উল্লেখ করেছেন। রোববার ১৪ জুন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাব হতে প্রাপ্ত পজেটিভ আরো ৭০ জন রোগী সহ এখন করোনা ভাইরাস রোগীর সংখ্যা মোট ১৫১৫ জন। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও নারায়নগঞ্জ জেলা যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে।

রোববার ১৪ জুন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে স্যাম্পল টেস্টে ‘পজেটিভ’ রিপোর্ট পাওয়া ৭৬ জনের মধ্যে কক্সবাজার জেলায় ৭০ জন, ভিন্ন জেলায় ৫ এবং আগে আক্রান্ত হওয়া পুরাতন ১ জন রোগীর ফলোআপ টেস্ট রিপোর্ট ‘পজেটিভ’ রিপোর্ট পাওয়া গেছে।

‘পজেটিভ’ রিপোর্ট পাওয়া কক্সবাজার জেলার ৭০ জন করোনা রোগীর মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলায় ৫৪ জন, উখিয়া উপজেলায় ৫ জন, রামু উপজেলায় ২ জন, টেকনাফ উপজেলায় ৫ জন, মহেশখালী উপজেলায় ১ জন ও কুতুবদিয়া উপজেলায় ৩ জন। আজ রোববারই কক্সবাজার সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ সংখ্যক ৫৪ জন করোনা রোগী সনাক্ত করা হয়।

এনিয়ে কক্সবাজার জেলায় আজ রোববার পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১৫১৫ জন। যারমধ্যে ৩৮ জন রোহিঙ্গা শরনার্থীও রয়েছে।

কক্সবাজার জেলায় করোনা রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ২৫জন। যারমধ্যে, ৩জন রোহিঙ্গা শরনার্থীও আছে। এরমধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলায় ১৬ জন, রামু উপজেলায় ১ জন, চকরিয়া ৩ জন, উখিয়া উপজেলায় ২ জন ও টেকনাফ উপজেলায় ৩ জন।

এদিকে, একই স্ট্যাটাস থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে মতে, রোববার পর্যন্ত কক্সবাজার সদর উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৮৯ জন। রামু উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬ জন। চকরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৪৯ জন। পেকুয়া উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭২ জন। মহেশখালী উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪জন। কুতুবদিয়া উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭ জন। টেকনাফ উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০১ জন। উখিয়া উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ২২৭ জন। রোহিঙ্গা শরনার্থী আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ জন। এছাড়া কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে মোট করোনা স্যাম্পল টেস্ট করা হয়েছে মোট ১১৩৭৫ জনের। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩৫৪ জন করোনা রোগী।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •