জহির খন্দকার :

রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের ধুমচ্ছাকাটা সড়কে বাঁশ কল বসিয়ে বিভিন্ন কৃষি পন্যের উপর টোল বা টেক্স আদায় করা হচ্ছে মর্মে তা বন্ধের দাবীতে প্রান্তিক চাষীদের ব্যানারে গত ১০ জুন সকাল ১০ টায় ঈদগড় বাজারে মানববন্ধন করা হয়।উক্ত মানববন্ধনে সরকার দলীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেনীর লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
ইতিপুর্বে টেক্স আদায়ের ব্যাপারে যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি হচ্ছিল তখন ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  ফিরোজ আহম্মদ ভুট্রো উনার  ফেসবুক আইডিতে ঈদগড়বাসীর উদ্দেশ্যে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন স্থানীয় চাষীদের উৎপাদিত পন্যের উপর কোন রকম টেক্স বা টোল আদায় করা যাবে না। যদি করে ইজারা বাতিল করা হবে। তিনি আরো বলেছিলেন স্থানীয় কোন চাষীদের কাছ থেকে টোল বা টেক্স আদায় করা হলে যাতে উনাকে অবগত করা হয়।এই পর্যন্ত কোন প্রান্তিক চাষী টোল আদায়ের শিকার হয়ে থাকলে চেয়ারম্যান সাহেব কে অবগত করেছেন কি না জানা নেই।
বিষয়টি নিয়ে যখন ইজারাদার জসিম উদ্দিন সিকদারের সাথে যোগাযোগ করলাম। তিনি চাউলের উপর টেক্স বা টোল আদায়ের বৈধ কাগজপত্র দেখালেন। কিন্ত তিনি দাবী করলেন কোন প্রান্তিক চাষী চাউলসহ কোন পন্য নিয়ে গেলে কোন রকম টেক্স নেওয়া হয় না।শুধু মাত্র যারা ব্যবসায়ী রাইস মিল মালিক তাদের কাছ থেকে টেক্স নেওয়া হয়।তিনি দাবী করেন তার কাছে চাউলের উপর ৩℅ টোল আদায়ের বৈধ অনুমোদন আছে।তাই আমরা ঈদগড়বাসী মনে করি বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে অবগত করিয়ে চাষী হউক ব্যবসায়ী হউক চাউলের উপর থেকে টেক্স বা টোল আদায়ের অনুমোদন রহিত করে মওকুফ করা দরকার ।এই দায়িত্বটা চাইলে  চেয়ারম্যান মহোদয় ও সরকার দলীয় সম্মানিত নেতৃবৃন্দ পালন করতে পারেন। কারন সরকার সাংসদ ও উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় আপনাদের দাবী বিবেচনা করবেন।
আমরা ঈদগড়বাসী এই প্রত্যাশায় অপেক্ষায় থাকলাম।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •