মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজারের শহরে এলপিজি (গ্যাস) সরবরাহের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ মাসুদুর রহমান মোল্লা ও কক্সবাজার সদর উপজেলা ইউএনও মাহমুদ উল্লাহ মারুফের সাথে কক্সবাজার জেলা এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি নেতৃবৃন্দের সফল আলোচনার প্রেক্ষিতে শহরের বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত সমিতি প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

কক্সবাজার জেলা এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব সরওয়ার কামাল সিকদার সিবিএন-কে এ তথ্য জানিয়েছেন। এসময় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তোফায়েল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতি আলহাজ্ব সরওয়ার কামাল সিকদার আরো জানান, বৃহস্পতিবার ১১ জুন সকালে উল্লেখিত ২ জন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে তারা গ্যাস সরবরাহে সৃষ্ট সংকট নিয়ে আলোচনা করেছেন। কর্মকর্তাদ্বয় বলেছেন, জ্বালানি গ্যাস একটি অপরিহার্য পণ্য। তাই শহরে জ্বালানি গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে। তাই, জ্বালানি গ্যাস বহনে যাতে কোন বিড়ম্বনা পোহাতে না হয়, সেজন্য কক্সবাজার পৌরসভার কাউন্সিলরদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে জ্বালানি গ্যাস সরবরাহকারীদের আইনশৃংখলা বাহিনী, স্বেচ্ছাসেবকেরা যাতে কোথাও না আটকায় সেজন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ মাসুদুর রহমান মোল্লা ও কক্সবাজার সদর উপজেলা ইউএনও মাহমুদ উল্লাহ মারুফের সাথে ফলপ্রসু আলোচনার পর সমিতি জরুরি মিটিং করে কক্সবাজার শহরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার আগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয় বলে জানান, সভাপতি আলহাজ্ব সরওয়ার কামাল সিকদার। তিনি বলেন, সরকারি স্বাস্থ্য বিধি কঠোরভাবে মেনে, সামাজিক ও শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে এলপিজি’র দোকান সামান্য খোলা রেখে ও জ্বালানি গ্যাস সরবরাহ করা হবে।

প্রসঙ্গত, কক্সবাজার শহরের প্রশাসন এবং লকডাউনে দায়িত্ব পালনকারী স্বেচ্ছাসেবকদের হাতে কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন স্পটে গত কয়েকদিনে এলপিজি ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা জ্বালানি গ্যাস সরবরাহকালে লাঞ্ছিত ও বাঁধা পাওয়ার অভিযোগ আনে। এর প্রতিবাদে গত ১০ জুন বিকেল থেকে কক্সবাজার জেলা এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি শহরে সব ধরণের জ্বালানি গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। এ বিষয়ে সমিতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ মাসুদুর রহমান মোল্লা’র মাধ্যমে জেলা প্রশাসককে ও কক্সবাজার সদর উপজেলা ইউএনও মাহমুদ উল্লাহ মারুফ’কে জ্বালানি গ্যাস সরবরাহে সংকট ও জটিলতা সমাধানের অনুরোধ জানিয়ে গত ১০ জুন আবেদন করেছিলো।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •