লকডাউন ডায়েরি -০৬

প্রকাশ: ১১ জুন, ২০২০ ১১:৩৯ , আপডেট: ১১ জুন, ২০২০ ১১:৪৫

পড়া যাবে: [rt_reading_time] মিনিটে


সংসদের এইবারে বাজেট অধিবেশনে শোক প্রস্তাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরেণ্য রাজনীতিবিদ মরহুম এডভোকেট জহিরুল ইসলামের পার্টিতে অবদান, পারিবারিক সম্পর্ক স্মরন করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ধন্যবাদ প্রধান মন্ত্রীকে। আমাদের দেশে গুণীজন মুল্যায়ন হয় মৃত্যুর পরে। এডভোকেট জহিরুল ইসলাম ৭৫ সালের দিকে কক্সবাজার জেলার গভর্নর নিযুক্ত হন। সে সময় আমার বয়স দশ বৎসর।
মনে আছে, মায়ের সাথে কৌতুহলি হয়ে প্রথম গভর্নর দেখতে গিয়েছিলাম। তিনি আমার মায়ের মামাতো ভাই। সম্পর্কে আমার মামা হন। গভর্নর নিযুক্ত হওয়ার পর একবার এড জহির সাহেবর প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষণ করা হয়।
শুনেছি, পার্টির অভ্যন্তরীন কোন্দলের কারনে তাঁকে হত্যার চেষ্টা হয়। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। সামরিক শাসক এরশাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে নয় বৎসর পার্টিকে সংগঠিত এবং নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এরশাদ সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগে তিনি যথাযথ মুল্যায়ন হন নি। পরে ড: কামাল হোসের সাথে গণফোরাম গঠন করে জাতীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। তিনি সুবক্তা এবং বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন। মহান আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।

লুৎফুর রহমান কাজল
জুন ১১,২০২০
নিরিবিলি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •