শাহেদ মিজান, সিবিএন:

কক্সবাজারের সুপরিচিত ব্যাংকার এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের লিংকরোড শাখার সাবেক ও বর্তমান লোহাগড়া শাখার ব্যবস্থাপক আবু নাইম মো. মিসবাউল হক আরমান আর নেই (ইন্নালিল্লাহৃ রাজেউন)। আরমান আজ বৃহস্পতিবার ভোররাত প্রায় ৩ টার দিকে রাজধানী ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। আরমান শ্বাসকষ্ট জনিত জটিলতায় গত মঙ্গলবার ভোরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তিনি রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নের জারাইলতলী গ্রামের বাসিন্দা। তার ভাই হামিদুল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত (৮জুন) শ্বাসকষ্টে গুরুতর অসুস্থ হয়ে চরম সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছেন সুপরিচিত ব্যাংকার আবু নাইম মো: মিসবাউল হক আরমান। তাই উন্নত চিকিৎসার  সোমবার (৮জুন) বিকালে তাকে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে তিনি গত ১০ দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিলেন।

তিনি জানান, ১০ দিন ধরে ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিলেন ব্যাংকার আবু নাইম মো: মিসবাউল হক আরমান। অবস্থার অবনতি হলে গত ৫ জুন তাকে কক্সবাজারের ইউনিয়ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে কিছুটা সুস্থবোধ করায় ৭জুন তিনি হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে কক্সবাজার শহরের ম্যালেরিয়া সড়কস্থ বাড়ায় চলে যান। এর আগে একই দিন তিনি পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন।

কিন্তু ৮জুন সকাল থেকে তার শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। শ্বাসকষ্ট বাড়লে ওইদিন দুপুরের দিকে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়ায় সদর কর্তৃপক্ষ তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করেন। তাই সাথে সাথেই তাকে এ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর মধ্যে তার নমুনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। ঢাকায় চিকিৎসা নেয়ার পর কিছুটা সুস্থবোধও করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ অবস্থার অবনতি হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন সকলের পরিচিত ব্যাংকার আবু নাইম মো. মিসবাউল হক আরমান।

মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে যান তিনি। তার বড় ছেলে কক্সবাজার বয়েস স্কুল থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছে।

আজ বিকেলে তাকে কক্সবাজারে তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হবে এবং জানাজা শেষে পারিবারিক করবস্থানে দাফন করা হবে।  জনতা ব্যাংক দিয়ে ২০০২ সালে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন তিনি। ব্যাংক জগতে এক দক্ষ ও সুপরিচিতি ব্যক্তি ছিলেন তিনি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •