প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের সেক্রেটারি জনাব লায়ন মো: মুজিবুর রহমান ও তাঁর দুই ভাই কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ আবদুস সবুর ও ট্রাস্টি বোর্ডের ট্রেজারার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এবং ইউনিভার্সিটির অফিসার মো: মনির উদ্দিন আরিফ এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করায় বিবৃতি দিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি’র ‘বোর্ড অব ট্রাস্টিজ’ সদস্যগণ।

৮ জুন, সোমবার ১১ জন ট্রাস্টি বোর্ড এর সদস্যদের যৌথ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে একজন ট্রাস্টি সদস্যের ইন্ধনে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার কে দিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা’র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ষড়যন্ত্রমূলক এই মিথ্যা মামলাটির প্রতিবাদ জানিয়ে অনতিবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন ট্রাস্টিজ সদস্যরা।

১১ সদস্যগণ বিবৃতিতে দাবি করেছেন, যিনি নিজের কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে কক্সবাজার জেলায় উচ্চ শিক্ষা প্রসারে ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার হাল ধরেছেন, সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী একটি মহলের মামলা দায়েরের বিষয়টি হাস্যকর ও ষড়যন্ত্র। এ ধরনের ষড়যন্ত্র কক্সবাজারের মাটি ও মানুষের বিরুদ্ধে যায় বলেও অভিমত প্রকাশ করেন ।

সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুন রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় তথাকথিত তিন কোটি টাকা আত্মসাতের কাল্পনিক ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর আবদুল হামিদ বাদি হয়ে একটা মামলা করেছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সেক্রেটারি লায়ন মো: মুজিবুর রহমান ও তাঁর দুই ভাই কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ আবদুস সবুর ও ট্রাস্টি বোর্ডের ট্রেজারার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এবং ইউনিভার্সিটির অফিসার মো: মনির উদ্দিন আরিফ কে আসামী করা হয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানা মামলাটি কোন ধরনের তদন্ত না করেই রেকর্ড করায় বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সদস্যরা উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেন।

বিবৃতি ও প্রতিবাদ প্রতিলিপিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ মনে করেন, মামলার বাদী তার এজাহারে কুচক্রি মহলের ইশারায় কথিত কাল্পনিক ঘটনা সাজিয়ে ইউনিভার্সিটির উদ্যোক্তা লায়ন মো: মুজিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন।

এবিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সেক্রেটারি লায়ন মো: মুজিবুর রহমান বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন আর্থিক বিষয়ে আমি সিগনেটরি নই। তাই আমার স্বাক্ষরে কাউকে চেক দেয়া হয়নি বা অর্থ দেয়া হয়নি। আর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা আমি এবং সমস্ত বিনিয়োগ আমার এবং আমার পরিবারের। সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপি এক পয়সা বিনিয়োগ না করার পরও আত্মীয়তার সূত্রে আমার মামা হওয়ায় এবং আওয়ামীলীগের একজন প্রবীণ নেতা হিসেবে তখন অন্যান্য প্রভাবশালী কোনো আওয়ামীলীগ নেতার কথা চিন্তা না করে মুরুব্বী হিসাবে তাকে সম্মান দেখিয়ে ট্রাস্টি বোর্ডে রেখেছি এবং ওনার অনুরোধে ট্রাস্টির সবার সম্মতিক্রমে ওনাকে চেয়ারম্যান করে সম্মানিত করা হয়েছে। কিন্তু তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওনার পছন্দমত লোকজন, পারিবারিক সদস্যদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডে ঢুকাতে চান। তাছাড়াও ওনার পছন্দমত অযোগ্য লোকদের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিতে চান এবং দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানান অনিয়ম ও অসঙ্গতি করেন বিভিন্ন সময়ে যার কারণে আমি সহ ট্রাষ্টি বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা প্রতিবাদ জানালে এনিয়ে সম্প্রতি আমার সাথে বিরোধ দেখা দেয়ায় তিনি রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে ট্রেজারারকে চাপ দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মামলাটি করিয়েছেন।’ আমাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর পরপরই তার একক সিদ্ধান্তে ট্রাস্টি বোর্ডের কারো অনুমোদন না নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ধারেকাছে না গিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং ট্রেজারারকে চাপ প্রয়োগ করে নিয়োগের নিয়মনীতি না মেনে এককভাবে একের পর এক ট্রেজারারকে দিয়ে রেজিস্ট্রার, পরিচালক (অর্থ), সহকারি পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক এ ধরনের গুরুত্বপূণ পদে নিজের পছন্দমত ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছেন যেন স্বাধীনভাবে নিয়োগকৃত রেজিস্ট্রারসহ নিয়োগকৃত কর্মকর্তাদের ব্যবহার করে তিনি তার অপকর্ম চালিয়ে যেতে পারেন।

লায়ন মুজিবুর আরো জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় সর্বশেষ চক্রান্ত হিসেবে লোভের বশবর্তী হয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ আমাকে হেয় করার জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে জোরপূর্বক ষড়যন্ত্রমূলক এই ভিত্তিহীন মামলা করিয়েছেন। তবে আইনী প্রক্রিয়ায় নিশ্চয় সব সত্য উদ্ঘাটিত হবে।

বিবৃতিতে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ১0 স্বাক্ষরকারীর মধ্যে রয়েছেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্যোক্তা ও সেক্রেটারি মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, সদস্য মোহাম্মদ আব্দুস সবুর, মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ, মোহাম্মদ মহসিন, এএসএম মাহফুজুর রহমান, এএসএম সাইফুর রহমান, সালেহা সুলতানা, এইচ এম হামিদুল্লাহ্ মেহেদী, অলিদ মাহমুদ ও মাহবুবা সুলতানা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •